Home   |   About   |   Terms   |   Contact    
Read & Learn
 

Bangla Kahini

( বাংলা কাহিনী )

All Pages   ◍    1    2    (3)     4    5    6    7    ...


দুই বন্ধু

- পৌরাণিক


An offer to make a Website for you.

hostgator




এক গ্রামে দুই বন্ধু ছিল। অমল আর বেণু। দুজনই দোকানদার।পাশাপাশি বাড়ি, পাশাপাশি দোকান। দুজনের মধ্যে কিছু পার্থক্য ও ছিল। অমলের মনে ঈর্ষা ছিল। সে সব সময় ভাবত, বেণু আজ না জানি কেমন ব্যবসা করেছে? হয়তো আমার থেকেও বেশী। সে যদি না থাকত তবে আমার কাছে আরও বেশী খদ্দের আসত! আমার দোকান আরও ভাল চলত! প্রথম প্রথম তার মনে এ রকম ভাবনা ছিল। কিন্তু কথায় বলে ঈর্ষা কখনো একা আসে না। তার পিছে পিছে কুবুদ্ধি, হিংসাবৃত্তি ও আসে। অমলের মনেও তাই এলো।

সে তার গ্রাহক বা অন্য গ্রামবাসীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে লাগল যে বেণুর দোকানের জিনিস ভাল না। বেণু দাম ও রাখে বেশী আবার ওজনেও হের-ফের করে।

এতে প্রথম প্রথম অমলের একটু লাভ হল বটে। কারণ সত্যি বেণুর দোকানের জিনিসের একটু দাম ছিল। তার কারণ সে সব গুনগত ভাল জিনিস রাখত। তাই প্রথম প্রথম লোকে ভাবল যে অমল সত্যিই বলছে। ফলে বেণুর দোকানের খদ্দের কমতে লাগল। এতে অমল বেজায় খুশি। তার দোকানে এখন বেণুর দোকানের খদ্দের ও এসে জুটতে লাগল।

কিন্তু শেষে সত্যেরই জয় হল। সবাই অমলের চালাকি বুঝতে পারল। তার উপর তার দোকানের জিনিসের গুনগত মান ও ভাল ছিল না। অমল ভাবত কম পয়সায় বেশী লাভ! ফলে যা হবার তাই হল। অমলের দোকানের খদ্দের এমন কমল যে কোন বিশেষ ঠেকাতেই কেউ-কেউ তার দোকানে যায়। সব খদ্দের গিয়ে বেণুর দোকানে ভিড় জমাল।

কিন্তু তবু অমল পথে এলো না। সে বাড়িতে এবার তান্ত্রিক ডাকল। খুব বড় তান্ত্রিক। যা মন্ত্র পড়ে সব ফলে যায়। তান্ত্রিক মন্ত্র পড়ে লেবু আর মরিচ দিয়ে গেল।এই বড় বড় তাজা লেবু আর এই সুন্দর-সুন্দর তাজা মরিচ। প্রতি দিন সূর্য উঠার আগে পাঁচটি লেবু আর পাঁচটি মরিচ এটি লাল সুতাতে বেঁধে বেণুর বাড়িতে ফেলে দিতে হবে। এতেই কাজ হবে। বেণুর দোকানের নাশ হয়ে যাবে। অমল তাইই করতে লাগল।

কিন্তু বেণু কি করল?

সে প্রতিদিন ভোর বেলাতে উঠে ঠাকুর প্রণাম করত, তুলসী প্রণাম করত। তুলসী তলাতে দাঁড়িয়ে সে প্রার্থনা করত “হে প্রভু সবার মঙ্গল কর।সব গ্রামবাসী যেন সুখে থাকে। আমি যেন সৎ পথে থাকি আর সব সময় তোমাকে স্মরণে রাখি। কেউ যেন আমার দ্বারা দুঃখ না পায়।আমি যেন সবাইকে যথাযথ সাহায্য করতে পারি।”

আজকাল প্রতিদিন সে তুলসীতলার আশে-পাশে একটা লাল সুতাতে কয়েকটা লেবু আর কয়েকটা মরিচ পড়ে থাকতে দেখে। সে বরাবর তাদের উঠিয়ে ঘরে নিয়ে যায়।
তার বৌ বলে “এ গুলিকে ঘরে নিয়ে এসো না। এগুলি যদি কেউ খারাপ উদ্দেশ্য ফেলে যায় ?”

বেণু বলে “দেখ এ গুলির পেছনে কত লোকের কত পরিশ্রম লেগে আছে। কৃষকরা কত পরিশ্রম করে এগুলিকে চাষ করে। কত লোক এগুলিকে বাজারে বাজারে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় আর এগুলিকে বিক্রি করে নিজের ঘর-সংসার চালায়। এত এত লোকের পরিশ্রম আর কষ্ট সামিল আছে তাতে। একে অপচয় করা তো ঈশ্বরকে অবহেলা করা।” তার বৌ ও তার কথাতে সহমতি জানায়।

গরমের দিন। দুপুর বেলায় রোজ বেণুর দোকানের দাওয়ায় দু-চার জন গ্রামবাসী জোটে। গপ-সপ হয়। বেণুর বৌ ঐ লেবুগুলি দিয়ে চমৎকার সরবত করে আনে আর সবাই তৃপ্তিতে আঃ আঃ করে উঠি। আর মরিচগুলি রোজ তরকারির কাজে লাগে। বেণুর মরিচের খরচ অনেকটাই কমে গেল সাথে প্রতিদিন দুপুরে সবাই মিলে তৃপ্তিতে সুস্বাদু সরবত ও পান করতে লাগল।

একবছর পর। অমল এখন গ্রামে গ্রামে সারাদিন ঘুরে ঘুরে মাটির হাড়ি বিক্রি করে। তার দোকান কবেই বন্ধ হয়ে গেছে। আর বেণু। তার দোকানে অনেক দূর দূর থেকে ও খদ্দের আসতে লাগল।

Top of the page

পয়সা দিয়ে ধনী করো না , পয়সা কামাতে শিখাও

-হরপ্রসাদ সরকার

শহরের এক প্রান্তে এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন।তার দুই ছেলে যতীন আর হারু। ব্যবসায়ীর যখন বয়স হল তখন তিনি দুই ছেলেকে ডেকে বললেন দেখ আমার কাছে ১০০০ স্বর্ণ মুদ্রা আছে তা আমি তোমাদের দিতে চাই। কিন্তু ঐ ধন আমি শুধু একজনকে দেব যাহাতে তার বাকী জীবনটা সুন্দর আর আরামে কেটে যায়। আর ঐ ধন যে না পাবে ,তাকে আমি শিখাব কিভাবে পরিশ্রম করে রোজগার করতে হয়। এবার তোমরা ঠিক করে নাও কে কোনটা নেবে ?

যতীন ভাবল এই মুদ্রা পেলে জীবনে আর কোন কাজই করতে হবে না। আরাম আরামে বেশ মজা করে জীবন কাটাতে পারব। বেশ মজা হবে। তাই সে স্বর্ণ মুদ্রা চাইল।
হারু ভাবল “যতীন যা চাইবে আমি তার উল্টাটাই চাইব , যেন দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ না হয়।” ফলে যতীন যখন ধন চাইল হারু আর ধন চাইল না। সে তার বাবার কাছে পরিশ্রম করে শিখতে লাগল কিভাবে রোজগার করতে হয় !

সময় বয়ে গেল। সেই ব্যবসায়ী ও একদিন দেহ রাখলেন। যতীন বেশ ধনী ব্যক্তির জীবন যাপন করে। সারাদিন ঘুরে বেড়ায়।কোন কাজকর্ম ও করে না। বাড়িতে আট-দশটা চাকর সব সময়ই খাটে। তার খাবারের কোন চিন্তা করতে হয় না। সে বেশ আছে।

আর হারু ছোট্ট একটা কারখানা খুলল। সেখানে কাঠের জিনিস, বাঁশ-বেতের জিনিস বানানো হত। কয়েক জন লোক ও কাজ করত সেই কারখানাতে। হারুর জীবন সাধারণ ভাবে চলছিল।

সে বছর দেশে অকাল পড়ল। কোথাও আকাশে মেঘের কণাও দেখা গেল না। জমি শুকিয়ে কাঠ। চারিদিকে খাবারের হাহাকার। প্রাণ বাঁচাতেই হোক আর ক্ষুধার তাড়নাতেই হোক মানুষ চুরি, ছিনতাই শুরু করল।

এক রাতে যতীনের বাড়িতে ডাকাত পড়ল।নিজের আর পরিবারের প্রাণ বাঁচাতে যতীন তার সব ধন সম্পদ ডাকাতদের দিয়ে দিল। আজ সে নিঃস্ব। আর গ্রামের দশজনের মত তার ও আজ ‘দিন আনে দিন খায়’ অবস্থা।

অন্যদিকে যারা চুরি, ডাকাতি করল না তারা কাজ খোঁজতে লাগল। হারু ও তার কারখানার দরজা খুলে দিল। তার কারখানাতে দিনে দিনে কর্মচারীর সংখ্যা বাড়তে লাগল।পণ্য উৎপাদনের পরিমাণ ও বেড়ে গেল।

হারু ভিন রাজ্য, ভিন দেশে তার পণ্য পাঠাতে লাগল। ফলে হারুর কারখানাকে কেন্দ্র করে তার চারিদিকে গড়ে উঠল একটা ছোট বাজার। গাড়োয়ানরা সবাই ভিড় করত সেখানে। কারণ হারুর পণ্য ভিন রাজ্য নিতে তাদের ডাক পড়বে। গাড়োয়ানরা বা অন্য কর্মচারীরা চা খাবে কোথায় ? ফলে অনেকে সেখানে চা এর ব্যবসা খুলে দিল। কাজের শেষে ফিরে যাবার সময় চাল, ডাল, তেল তো ঘরে নিয়ে যেতে হবে! ফলে সেখানে অনেক চাল, ডালের দোকান গড়ে উঠল। সেখান আজ সব সময় লোকের ভিড়।

হারু আজ এক বিশাল কারখানার মালিক। অনেক- অনেক লোক তার কারখানাতে কাজ করে। গ্রামের সবাই তাকে আপন মনে করে, নিজের মনে করে। বড় ছোট সবাই তাকে ভালবাসে, সম্মান করে। বাবার শিক্ষা ও তার পরিশ্রম বৃথা যায়নি।

Top of the page

আসর

-হরপ্রসাদ সরকার

সুদূর এক গ্রামে এক কৃষক ছিল দুলাল। সে খুব সহজ-সরল। সারাদিন সে ক্ষেতে কাজ করত। যেমন সে পরিশ্রম করত তেমনি ফল ও পেত। বছর শেষে তার ঘরে ধান, চাল পূর্ণ হয়ে থাকত। মা লক্ষ্মীর বাস ছিল তার ঘরে।
অক্ষয় তৃতীয়াতে তার বাড়িতে ঠাকুরের অনুষ্ঠান হত। ধনী-গরিব গ্রামের সবাই আসত। কারণ সবাই দুলালকে ভালবাসত। ঐ অনুষ্ঠানে দুলালের গুরুদেব, তিনি যেখানেই থাকুন না কেন দুলালের বাড়িতে চলে আসতেন।

বিকালে ঠাকুরের নাম গান হত। তারপর সন্ধ্যায় সবাইকে পেট ভরে মহা-প্রসাদ বিতরণ করা হত। তারপর শুরু হত কীর্তন। সেই কীর্তন অনেক রাত পর্যন্ত চলত। গ্রামের বয়োবৃদ্ধ অনেকেই থাকতেন সেই কীর্তনে। গুরুদেবকে সেখানে অনেকেই নানান প্রশ্ন করতেন। তিনি তার উওর দিতেন।

একবার এমনি এক কীর্তনে একজন গুরুদেবকে প্রশ্ন করলেন “গুরুদেব সত্য যুগে ঈশ্বর লাভ করা সোজা ছিল? নাকি এই কলিযুগে ঈশ্বর লাভ করা সোজা ?” ঘরের কোনে একটা তেলের প্রদীপ জ্বলছিল।

গুরুদেব বলতে লাগলেন “দেখ , আমি একটা উদাহরণ দেই তুমিই তখন বুঝতে পারবে। আগে একটা সময় ছিল যখন কেউ কিছু উপার্জন করলে সেই উপার্জনকে দুটি সমান ভাগে ভাগ করত। একটি তার নিজের থাকত অন্যটি সে ঈশ্বরের নামে রেখে দিত আর সেটি সে দান-পুণ্য বা গরিব সেবার কাজে লাগাত।

তারপর একসময় তার মনে একটু লোভ জন্মাল।

এবার সে তার উঠানের মাঝে একটি লম্বা দাগ দিল আর সেই দাগের ঠিক মাঝে দাঁড়িয়ে তার উপার্জিত ধন বা অর্থকড়ি উপরের দিকে ছুড়ে দিল। দাগের এপাশের সব আমার আর ও পাশের সব ঈশ্বরের।

কিছুদিন পরে তার মনে আরও একটু লোভ জন্মাল। সে ঐ দাগটাকে একটা বড় বৃত্ত বানিয়ে দিল। এবার ঐ বৃত্তের বাইরে যা পড়বে সব আমার আর বৃত্তের ভিতরের সব ঈশ্বরের। কালক্রমে ঐ বৃত্ত ছোট হতে থাকল।

শেষে আমাদের লোভ এতই বাড়ল যে আমারা আর বৃত্ত ও আঁকি না। আমরা আমাদের ধনসম্পদ , অর্থকড়ি সব এমনি উপরে ছুড়ে দেই আর বলি, ঈশ্বর তার নিজের যা দরকার তা উপরেই রেখে দেবেন আরে নীচে যা পড়বে সব আমার।”

গুরুদেব বললেন আমরা তো এখন প্রতিক্ষণ আমাদের স্বার্থে ঈশ্বরকে ঠগিয়ে যাচ্ছি। এবার তুমিই বল সোজা পথ কোনটা ছিল ?

কথায় কথায় রাত তখন গভীর। কীর্তন আর আলোচনা ও বেশ জমে উঠেছে। কিন্তু তেলের সেই প্রদীপটির তেল প্রায় শেষ।

সারা বাড়ি খুঁজেও কোথাও তেল পাওয়া গেল না। এত গভীর রাতে পাশের বাড়িতে যাওয়া ও ঠিক কথা নয়। তবে কি এত সুন্দর কীর্তন আর আলোচনা বন্ধ হয়ে যাবে? দুলাল খুব মনমরা হয়ে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে রইল। এমন সময় কে যেন দরজার আড়াল থেকে এই বড় একটা নতুন ঘী এর বোতল বাড়িয়ে দিল। বোতলটি ঘী তে পূর্ণ। সে আড়াল থেকে বলল “যা যা তারাতারি ঐ প্রদীপটাতে দে ! প্রদীপটা নিভে যাচ্ছে যে।”

দুলাল সাত-পাঁচ না ভেবে টপ করে ঘী এর বোতলটা নিয়ে প্রদীপটাতে ঘী ঢালতে লাগল। তখন হঠাৎ তার মনে হল, এই এত বড় ঘী এর বোতল, এত রাতে আমাকে কে দিল ? দরজায় আমার পিছনে তো কেউ ছিল না ! আমিই তো সবার শেষে ছিলাম।

সে ঝটপট প্রদীপটা নিয়ে বাইরে গেল। কিন্তু কোথাও কেউ ছিল না।

Top of the page

দুই মূর্খ চেলা

- পৌরাণিক

এক জমিদার ছিলেন। তার দুই চেলা ছিল। গদু আর মধু। জমিদার যখন যেখানে যেতেন গদু উনার পেছন পেছন ছাতা নিয়ে চলত। আর মধু জমিদারের বই পত্র, চাদর নিয়ে চলত।

জমিদার যখন রাতে বিশ্রাম করতেন গদু সব সময় বাম পা টিপে দিত আর মধু ডান পা। গদু জমিদারের বাম পা টা নিজের মনে করত আর মধু জমিদারের ডান পা টা নিজের মনে করত।

গদু আর মধুর মধ্যে সব সময় একটা বিষয় নিয়ে বিবাদ চলত যে কে বাবুর বেশী ভক্ত ? কাকে বাবু বেশী ভালবাসে ? এই বিবাদ এতই বেশী যে তারা একে অপরকে সহ্যই করতে পারত না। তাদের মধ্যে কথাবার্তা, বোল-চাল সব বন্ধ। তবে কেউই বাবুকে ছেড়ে যেত না। আর জমিদার হাসতেন, তাদের বোঝাতেন যে তিনি দুজনকেই ভালবাসেন। এমনি করে দিন যেতে লাগল।

অনেক বছর পরে, নিজের বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে গদু একদিন গ্রামে গেল।

সেদিন রাতে জমিদার যখন শুয়ে ছিলেন মধু জমিদারের ডান পা টিপে দিচ্ছিল। সে দেখল আজ গদু নেই, আর তার বাম পা তেমনি অসহায় পড়ে আছে। মধু চুপচাপ বাইরে গেল ,এই বড় এক শক্ত লাঠি নিয়ে এলো আর গদুকে শিক্ষা দিতে গায়ের জোরে জমিদারের বাম পায়ে মারল এক বাড়ি। জমিদার অতি আরামে ঘুমিয়ে ছিলেন।যন্ত্রণায় চীৎকার করে লাফিয়ে উঠলেন। পাক-পেয়াদা সব দৌড়ে এলো। তক্ষুনি মধুকে ঘাড় ধরে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হল।

বৈদ্য ডাকা হল, তিনি জমিদারের বাম পায়ের মরম-পট্টি করলেন।

পরদিন গদু এলো গ্রাম থেকে। সে এসে দেখল বাবু বিছানায় শুয়ে আছেন আর তার বাম পায়ে মরম-পট্টি লাগালো, পা টি ও বেশ ফুলে আছে।

যখন গদু জানল যে মধু এমন করেছে। সে চেঁচিয়ে উঠল “কি মধুর এমন সাহস? তাকে উচিত শিক্ষা দিতেই হবে।” সে দৌড়ে ঐ লাঠিটাই নিয়ে এলো আর জমিদারের ডান পা টিতে তেমনি জোরে মারল এক বাড়ি। “মধুকে না পাওয়া গেলে কি হবে , তার অসহায় পা টি তো আছে।”

এবার জমিদারের ডান পা ও গেল। তিনি আকাশ ফাটা চীৎকার করে উঠলেন। আবার পাক-পেয়াদা সব দৌড়ে এলো। গদুর মুখে চুন কালি মেখে তাকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হল। আবার বৈদ্য ডাকা হল। জমিদার ঠিক তো হয়ে উঠলেন কিন্তু গদু-মধু তাকে আধ খোঁড়া বানিয়ে গেল।



Top of the page
All Pages     1    2    (3)     4    5    6    7    ...

Amazon & Flipkart Special Products

   


Top of the page