Home   |   About   |   Terms   |   Contact    
Read & Learn
 

ত্রিপুরার ইতিহাস ও রাজমালা
( পর্ব ২)

Tripura Rajmala

◎ All Articles On Tripura     ◎ All Other Articles



This article is regarding the ত্রিপুরার রাজাগণের ভিন্ন রকমের বিবাহরীতি ।
Last updated on: .



ত্রিপুরার রাজাগণের ভিন্ন রকমের বিবাহরীতি
ত্রিপুরার ইতিহাস ও রাজমালা
( পর্ব ২)


◕ Send a story and get ₹ 200/- More..

◕ Bengali Story writing competition. More..


রাজমালা অনুসারে ত্রিপুরার রাজাগন প্রধানত তিন রকমের বিবাহরীতি অনুসরণ করতেন। যথা: ব্রাহ্ম, শান্তিগৃহিতা ও কাছুয়া।

ব্রাহ্ম বিবাহ হল সকল প্রকারের আচার, আচরণ, বিধি-নিয়ম মেনে রাজ্যবাসিকে জানিয়ে বিবাহ করা।

শান্তিগৃহিতা হল গন্ধর্ব বিবাহ। এই বিবাহ প্রথায় মালা বদলের পর মন্ত্রপূত শান্তি-জলে বর-কনের অভিষেক হলেই বিবাহ সম্পন্ন।

কাছুয়া বিবাহ প্রথা আরও সংক্ষিপ্ত; গন্ধর্ব বিবাহের একটি অংশ মাত্র। এই বিবাহ প্রথায় বর-কনে নিজেদের পতি-পত্নী রূপে জ্ঞান করলেই বিবাহ সম্পন্ন। কথিত আছে যে এই রাজাদের শান্তিগৃহিতা ও কাছুয়া বিবাহের জন্য রাজপ্রসাদে আলাদা কক্ষ রাখা হত।

বিবাহের এই ভিন্ন রীতি অনুসারে রাজপত্নীদের ও উপাধি থাকত। যথা: জগদীশ্বরী, ঈশ্বরী, মহারানী, মহাদেবী এবং দেবী। প্রধান রাজ্ঞী বা সাম্রাজ্ঞী 'জগদীশ্বরী' উপাধিতে ভূষিত হতেন। রাজ্যাভিষেকের সময় রাজারা নিজেদের নামের মুদ্রা প্রচলন করতেন। এই মুদ্রার এক পৃষ্ঠে রাজা ও রাজ্ঞীর নাম থাকত। কখনো-কখনো কিছু ঈশ্বরী উপাধিধারী রাজপত্নীদের নামেও আলাদা-আলাদা মুদ্রা প্রচলিত হত, তবে প্রত্যেকের নামের সাথেই তার উপাধি এবং রাজার নাম অবশ্যই থাকত।

কাছুয়া পত্নীদের নামে কোনও মুদ্রা প্রচলিত হত না। তবে ত্রিপুরার ইতিহাসে কাছুয়া পত্নীদের গুরুত্ব কিছু কম ছিল না।

আগামী পর্বে: ত্রিপুরার ইতিহাসে কাছুয়া পত্নীদের গুরুত্ব
◕ Bengali Story writing competition. More..


আগের পর্বগুলিঃ
১ম পর্ব    


Top of the page