Home   |   About   |   Terms   |   Books   |   Contact    
A platform for writers

কার্ভস

বাংলা কল্পবিজ্ঞান ভিত্তিক গল্প

All Bengali Stories    100    101    102    103    104    105    106    107    108    (109)     110    111    112   

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
◕ অতি কম পয়সায় ( মাত্র ৫০০ /- টাকায় ৭ দিন, ২০০০/- টাকায় এক মাস ) এই পাতাটিতে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। বিষদ বিবরণ দেখুন Details..
◕ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা - Sept, 2021 ফলাফল Details..
■ মাসিক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, প্রতিমাসে RiyaButu.com এর পক্ষ থেকে মাসিক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়মাবলী ও বিষদ বিবরণ Details
■ পাঠকদের জন্য প্রতিযোগিতা, প্রতিমাসে RiyaButu.com এ প্রকাশিত লেখাগুলির উপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য প্রতিযোগিতা। নিয়মাবলী ও বিষদ বিবরণ Details
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রতি বছর RiyaButu.com এর বাংলা বিভাগে প্রকাশিত সকল লেখাগুলির মধ্য থেকে সেরা ২৫টি লেখা নিয়ে এবং অবশ্যই লেখাগুলির লেখক / লেখিকাদের অনুমতিক্রমে, ডিসেম্বর মাসে বই আকারে[ Hardcopy ] প্রকাশিত হবে 'RiyaButu সাহিত্য সংকলন' Details..



কার্ভস
(কল্পবিজ্ঞান ভিত্তিক গল্প)
স্বরচিত গল্প প্রতিযোগিতার ( নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার , ২০২১) একটি নির্বাচিত গল্প
লেখক- দিগন্ত পাল, মা- অনামিকা পাল, বাবা- অচিন্ত্য কুমার পাল, দানেশ শেখ লেন, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ


04 th July, 2021

অন্য পর্বঃ পর্ব ১     পর্ব ২

## কার্ভস
পর্ব ১
তখন আমার আস্তানা কলকাতার উপকণ্ঠে নদীর ধারে আমার সদ্য কেনা বাংলোটা। সামনে নৈঃশব্দের চাদরে ঢাকা অমাবস্যা। কানে আসছে শুধু নদীর জলের কলকল শব্দ। নিভৃতে বারান্দায় বসে আছি আর আমার হাতের পেন্সিল ক্যানভাসের উপর যার শরীরের প্রত্যেকটা বাঁক নিখুঁতভাবে এঁকে চলেছে সে পৃথিবীর কোটি-কোটি পুরুষের এষা। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি ওর স্বরকে পণ্য করেছে আর ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি ওর শরীরকে। একের পর এক জনপ্রিয় অ্যালবাম, চোখ ধাঁধানো ফোটো-শুট, ভিডিও সং, লাইভ পারফরম্যান্স, রিয়্যালিটি শো, টক শো, এনডর্সমেন্ট – সময়ের বাঁকে এই সবের ভিড়ে অতীতের দিগন্তিকা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। লিপস্টিকের ন্যাচারাল কালার আজ অনেক ডার্ক; চোখের তলার কালি ঢাকতে মুখে রাজত্ব করে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন আর কনসিলার; এখন আর প্রাণখোলা হাসি নেই – হাসির দেখা পাওয়া যায় কেবল বিজ্ঞাপনেই। মনে পড়ে যায়, স্কুলে থাকতে দিগন্তিকার শুধু একটি বারের জন্য সিগারেট চেখে দেখার সখ হয়েছিল বলে আমি ওকে একান্তে একটা সিগারেট খাইয়েছিলাম। কেশে একশা তো হয়েইছিলই, কিন্তু তারপরও ওর কি ভয়! যদি ওর বাবা-মাকে ওর সিগারেট খাওয়ার কথা বলে দিই! কতবার যে ওকে ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়েছিল তার কোনও ঠিক নেই! ভাবলেই হাসি পায় যে, এত বোকা মেয়ে, এইটুকু বোঝে না যে, কথাটা ওর বাবা-মার কানে গেলে আমিও রেহাই পেতাম না। ভাবতে অবাক লাগে যে আজ 'কোকেইন' সেই দিগন্তিকার নিত্যসঙ্গী। দিগন্তিকা বরাবরই খুব সুন্দর লেখে – বাংলা ও ইংরাজি উভয় ভাষাতেই ভীষণ দখল, খুব সুন্দর সুর দেয়। ওর প্রত্যেকটা গান বানানো শেষ হলেই প্রথম শোনাতো আমায়। ওর গানের মতই খুব সুন্দর ছিল দিনগুলো। আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে - প্রায়ই কলেজ শেষে পার্কে নরম ঘাসের উপর দুজনে মুখোমুখি বসতাম। একটুও মিথ্যে নয়, ও যখন হাতে গিটার তুলে নিত, আমি ওর দু'চোখে বিশ্ব-জয়ের আত্মবিশ্বাস দেখতে পেতাম! আর দিগন্তিকা বিশ্বজয়ী হবে নাই বা কেন! ওর গানের গলাকে সুন্দর বললে ভুল বলা হয় – ওর গায়কী রীতিমত মাদকের কাজ করে। আর এই জগতে মাতাল কে না হতে চায়! সত্যি কথা বলতে কি, ওর গান শুনেই আমার প্রথম মনে হয়েছিল যে, শুধু সুরা নয় বরং সুরও আত্মবিস্মৃতির এক সরল পথ। গানের বাঁকে হঠাৎ সুরে বিরতি, সুর বিরহী শুধু কিছু কথা তুলে ধরা, তারপর পুনরায় কথা ও সুরের যুগলবন্দী – ঠিক এই ধরনের শৈলী ব্যবহার করে প্রায়ই গান বাঁধত দিগন্তিকা। ওর বাঁধা প্রথম গানে যেন ছিল আমার প্রথম প্রেমের স্বাদ। কোনদিন ভুলব না সেই গান –
"নাইদার উই বিলিভ নর ডিসবিলিভ
দ্যাটস হোয়াই উই লিভ
নাইদার উই গেইন নর লুস
দ্যাটস হোয়াই উই লাভ
ডেসায়ার অর ডিভশন হোয়াট এভার লাভ ইস
নান রাইসেস ইন দ্য সেইম
সো আই আক্সড ইউ নাথিং ফর মি
ইন ইটস নেইম
বাট আই কুডন্ট হেল্প শোয়িং ইউ
দ্যাট আই হ্যাভ অলওয়েস লাভড ইউ।।

এই কথা ও তার সুরের মূর্ছনায় শ্রোতা হিসাবে উপস্থিত লক্ষাধিক নর-নারী সকলে আপ্লুত। লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি কনসার্টে পারফর্ম করছেন একজন পপ স্টার। কোন শ্রোতার মুখে মৃদু হাসি, কারও চোখের পাতা স্বল্প সিক্ত, আবার কেউ-কেউ গানের কথায় আবেগে ঠোঁট নাড়াচ্ছেন আর অর্কেস্ট্রার ঐকতান-ঢেউয়ে মাথা দোলাচ্ছেন। পপ স্টার কখনও মাইক্রোফোন স্ট্যান্ডে রেখে মঞ্চের এক স্থানে দাঁড়িয়ে গাইছেন, আবার কখনও মাইক্রোফোনটি স্ট্যান্ড থেকে খুলে এক হাতে নিয়ে গাইতে-গাইতে মঞ্চের এক্সটেনশন ধরে হাঁটছেন ও মাঝে-মাঝে নিচু হয়ে দু'পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শত-শত ফ্যানের বাড়িয়ে দেওয়া হাত আরেক হাতে ছুঁয়ে দিচ্ছেন। মঞ্চের ব্যাকগ্রাউন্ডে আর দুই পাশে বিশাল-বিশাল এল.ই ডি. স্ক্রিনে উদ্ভাসিত নামটা – 'মিস ডি'।

#
এক মাস পর...

মিস ডি-র নিউইয়র্ক কনসার্ট:
'মিস ডি' তখনও মঞ্চে উপস্থিত হন নি, শ্রোতা-সমুদ্রে কিছু-না কিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত বার্তালাপের ঢেউ উঠেই চলেছিল। কিন্তু 'মিস ডি' মঞ্চে পা রাখার সাথে-সাথেই সকল শ্রোতা এক সাথে উচ্ছ্বসিত হওয়ার বদলে এক মুহূর্তের জন্য বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে গেল। বহু পুরুষের ঠোঁটে একই সাথে অস্ফুট স্বরে উচ্চারিত হল - "ওয়াও!!"

প্রায় আড়াই বছর আগে..
কয়েক মাসের জন্য দিগন্তিকা কলকাতা ফিরেছিল। দিগন্তিকার কথা ভেবে মাঝে-মাঝে আমার খুব হিংসা হয়। সারা পৃথিবী জুড়ে এত্ত নাম-ডাক! গান-বাজনা আমিও করতাম, লোকজনের টুকটাক প্রশংসাও পেয়েছি, কিন্তু এগোতে পারলাম না, বাড়ির চাপে পড়াশোনাকেই গুরুত্ব দিতে হল। গানের সুর ছেড়ে বায়ো-ম্যাথেমেটিকাল সূত্রে মন দিতে হল। যাই হোক, ফোনে দিগন্তিকার মুখে শুনছিলাম যে কয়েকটা বড়-বড় প্রোজেক্ট ওর হাতছাড়া হয় গেছে। তবে একটা মিউজিক কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা চলছে বটে, কিন্তু কোম্পানিটা খুব একটা বড় নয়। ওর ম্যানেজারের কাছে শুনলাম যে, ও নাকি এখন প্রায়ই এক সাইকায়ট্রিস্টের কাছে যায়। শত বারণ সত্ত্বেও 'কোকেইন' ছাড়ে নি, বরং নাকি এই কয়েক মাস আরও বেশী করে নিচ্ছে। আমার যে একেবারে সন্দেহ হয় নি তা নয়, কারণ সেদিন ফোনে কথা বলার সময় মনে হচ্ছিল যে, দিগন্তিকা কেমন যেন ঝিমিয়ে-ঝিমিয়ে কথা বলছিল। আমার বুঝতে অসুবিধা হয় নি যে, দিগন্তিকা নিজের কারিয়ার নিয়ে ভীষণ একটা মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে। তবে দিগন্তিকার ম্যানেজারের কাছ থেকে একটা খবর যা শুনলাম তাতে আমার গা-হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেল। দিগন্তিকাকে নাকি মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে! একটা হাই প্রোফাইল পার্টিতে মদ্যপ অবস্থায় দিগন্তিকা নাকি একজন খুব প্রভাবশালী প্রোডিউসারকে সর্বসমক্ষে খুব অপমান করেছিল, তাঁর মিউজিক প্রোডাকশন হাউসের মিউজিকের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তার কিছুদিন পর থেকেই দিগন্তিকার ম্যানেজারের কাছে থ্রেট কল আসতে শুরু করে – যেন দিগন্তিকা গান গাওয়া ছেড়ে দেয়, তা না হলে ওকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে! দিগন্তিকার ম্যানেজার আমাকে পই-পই করে বলে দিয়েছিলেন যে, আমি দিগন্তিকাকে যেন এই ব্যাপারে কিছু না বলি। কারণ দিগন্তিকার মাথা ভীষণ গরম, দিগন্তিকা যদি পুনরায় সেই প্রোডিউসারের উপর চড়াও হয়, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক ডনের সাথে ঐ প্রোডিউসারের বেশ দহরম-মহরম। ভারতবর্ষ সহ বেশ কয়েকটা দেশের পুলিশ-প্রশাসন ওদের পকেটে।

সেদিন সন্ধ্যাবেলা ল্যাবরেটরি থেকে ফিরে দিগন্তিকার সাথে দেখা করতে ওর ম্যানশনে যাব বলে বেরিয়েছিলাম। যাওয়ার পথেই ঝিরি-ঝিরি বৃষ্টি নেমে গেল। ম্যানশনে পৌঁছে দেখলাম – সদর দরজাটা খোলা। দিগন্তিকার ম্যানশনে কাজ করে যে মেয়েটা তাকেও কোথাও দেখলাম না। বেশ কয়েকবার। দিগন্তিকার নাম ধরে ডেকেও সাড়া পেলাম না। অগত্যা সরাসরি গেলাম ছাদে, কারণ ছোটবেলা থেকেই ও বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালোবাসে। বৃষ্টি হলেই ছুটে চলে যেত ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে। সিঁড়ি বেয়ে ছাদের দরজায় গিয়ে দেখলাম দরজার গোঁড়ায় একটা অর্ধেক খালি মদের বোতল রাখা। দরজা দিয়ে বেরিয়ে ছাদে পা রাখতেই আমার বুকের ভেতরটা ছ্যাৎ করে উঠল! দেখলাম দিগন্তিকা ছাদের একদম ধারে দাঁড়িয়ে নীচের দিকে দেখছে আর ডান পা-টা শূন্যে এগিয়ে দিচ্ছে! আমি "দিগন্তিকা" চিৎকার করে ছাদের সেই প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে গেলাম আর দিগন্তিকার বাঁ হাতটা ধরে পিছন দিকে একটা হ্যাঁচকা টান মারলাম। সঙ্গে-সঙ্গে দিগন্তিকার পুরো শরীরের ভার এসে পড়ল আমার উপর। আমি ভারসাম্য না রাখতে পেরে দিগন্তিকাকে নিয়ে আছড়ে পড়লাম ছাদে। আমার হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে। আমি বললাম, "তো.. তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?"

দিগন্তিকা যেন একটা ঘোরের মধ্যে ছিল। হঠাৎ সম্বিত ফিরে পেয়ে উঠে দাঁড়াল, বলে উঠল, "তুই!"

আমি একটু অবাকই হলাম। উঠে বসে বললাম, "হ্যাঁ আমি, কলকাতায় আছিস বলে দেখা করতে এলাম। কেন অসুবিধায় ফেললাম?"

তখন একটা ভদ্রতার হাসি হেসে দিগন্তিকা বলল, "না না, ভালো করেছিস এসেছিস। আসলে আমি একটু ড্রিঙ্ক করেছি। কিছু মনে করিস না।"

আমি বললাম, "একটু? বোতলটা তো দেখলাম অর্ধেক খালি! আর তুই ওটা কি করছিলি? আরে কারিয়ার গ্রাফে ওঠা-পড়া দুইই থাকবে, তা বলে ওরকম অস্বাভাবিক আচরণ করবি?"

ভদ্রতার হাসিকে এক কোণে ঠেলে দিয়ে এখন বিষণ্ণতা দিগন্তিকার সমগ্র মুখমণ্ডলে জায়গা করে নিল। ও বলল, "তুই বুঝবি না। মানুষ হাত ধরে শিল্পীকে যত উপরে তোলে, হাত ছাড়লে শিল্পী ঠিক তত জোরে আছড়ে পড়ে। যে চোখ ঝলমলে আলোয় অভ্যস্ত, ক্ষণিকেরও অন্ধকার তার কাছে খুব কষ্টের..."

এরপর কিছুক্ষণের নীরবতা। একই সুরে কথা বলে চলল শুধু বৃষ্টির ঝিরি-ঝিরি শব্দ। সেই শব্দ ভেদ করে এবার আমি উদাত্ত কণ্ঠে বলে উঠলাম,
"সময় বদলায়, সত্য নয়;
আকৃতি বদলায়, আত্মা নয়;
বিবর্তন শোনায় ধ্রুবের গাথা
পুরাতনে প্রত্যাবর্তনই আধুনিকতা.."

দিগন্তিকার দু'চোখে দেখলাম নস্টালজিয়া উঁকি দিচ্ছে, দিগন্তিকা জিজ্ঞাসা করল, "তোর মনে আছে গানটা?"

আমি বললাম, "পছন্দকে মনে রাখতে হয় না, বা মনে করতে হয় না, সে মনে রয়ে যায়। তোর প্রত্যেকটা গানই আমার খুব পছন্দের। তুই তখনও গানের জগতে প্রবেশ করিস নি, সেই সময়ে তোর লেখা গান এটা," আমি এই বলে আমার ডান হাতটা দিগন্তিকার দিকে এগিয়ে দিলাম। দিগন্তিকা ওর ডান হাতে আমার ডান হাতটা ধরলে আমি দিগন্তিকার ডান হাতে সামান্য ভর দিয়ে উঠে দাঁড়ালাম। বললাম, "কথা দিলাম, 'মিস ডি' আবার উঠে দাঁড়াবে।"

দিগন্তিকা ভ্রু কুঁচকিয়ে বলল, "তুই কি করতে পারবি? ইউ আর আ বায়ো- ম্যাথমেটিশিয়ান। কতটুকু বুঝিস তুই এই ইন্ডাস্ট্রিকে!"

আমি স্বীকার করলাম, "না: আমি তোদের ইন্ডাস্ট্রিকে বুঝি না," এরপর দিগন্তিকার চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, "আমি বুঝি সেই জন -সাধারণকে যাদের পছন্দের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে তোদের ইন্ডাস্ট্রি। হ্যাঁ, তুই প্রথম থেকেই গান গাইতে চেয়েছিলি, কিন্তু 'মিস ডি'-র জন্ম কিন্তু একজন পপ স্টার হিসাবে হয় নি। প্রথমে মডেল, তারপর সুপার-মডেল, এরপর হঠাৎ গানের জগতে প্রবেশ করার সুযোগ!"

দিগন্তিকা একটু অধৈৰ্য্য হয়ে বলল, "হ্যাঁ.. তো?"

দিগন্তিকার দু'চোখে চোখ রেখেই বললাম, "মডেলিং -এ তোর পসারের প্রধান কারণটা কি ছিল তা ভেবে দেখ?"

দিগন্তিকার দুই চোখে আত্মবিশ্বাস ছলকে উঠল। ও উত্তর দিল, "কার্ভস, মাই পিয়র্স বডি শেইপ।"

আমি প্রত্যুত্তরে দিগন্তিকাকে বললাম, "হ্যাঁ, এই আত্মবিশ্বাসটাই দরকার!" এরপর দিগন্তিকার চোখ থেকে চোখ সরিয়ে বললাম, "বেশ কয়েক বছর আগে আমি আর আমার টিম একটা সিক্রেট প্রোজেক্টে কাজ শুরু করেছিলাম যা বিজ্ঞানের একটা নতুন শাখার জন্ম দিতে পারে। আমরা বিজ্ঞানের সেই নতুন শাখার নাম দিয়েছি 'কসমেটোজেনেটিক্স'। এই 'কসমেটোজেনেটিক্স' আবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে বিবর্তন আনতে পারে। তুই যদি আমাদের এক্সপেরিমেন্টের সাবজেক্ট হতে রাজি হোস, আমি তোকে কথা দিচ্ছি, 'মিস ডি' উইল বি ব্যাক উইথ আ বিগ ব্যাঙ্গ!"

তিন দিন পর সকালে ইনোভা ল্যাবরেটরির সামনে একটা মার্সেডিজ গাড়ি এসে দাঁড়াল। গাড়ি থেকে দিগন্তিকা নামতেই জমায়েত সাংবাদিকদের হাতের ক্যামেরায় একের-পর এক ছবি তোলার শব্দ ধ্বনিত হতে শুরু করল। দিগন্তিকার পরনে সলিড শার্ট ম্যাক্সি ড্রেস, চোখে ক্যাট-আই সানগ্লাস আর পায়ে স্টিলাটো। সাংবাদিকেরা ছবি তোলার সময় দিগন্তিকাকে বারবার একটু দাঁড়াতে ও ক্যামেরার দিকে তাকাতে অনুরোধ করলেও দিগন্তিকা কোনও কথায় ভ্রুক্ষেপ না করে স্টিলাটো-র টিক-টক শব্দে গট-গট করে হেঁটে ল্যাবরেটরিতে প্রবেশ করল।
Next Part


All Bengali Stories    100    101    102    103    104    105    106    107    108    (109)     110    111    112   


## Disclaimer: RiyaButu.com is not responsible for any wrong facts presented in the Stories / Poems / Essay or Articles by the Writers. The opinion, facts, issues etc are fully personal to the respective Writers. RiyaButu.com is not responsibe for that. We are strongly against copyright violation. Also we do not support any kind of superstition / child marriage / violence / animal torture or any kind of addiction like smoking, alcohol etc. ##

◕ ◕ Online Book Shop
নামঃ রাজগি ত্রিপুরা ও চাকলা রোশনাবাদ
লেখক - পান্নালাল রায়

Books on Tripura

ভারতে মোগল শক্তির অভ্যুদয়ের পর মোগলরা ত্রিপুরার সমতল এলাকা জয় করে তার নাম রেখেছিল রোশনাবাদ। ধীরে-ধীরে ত্রিপুরার স্বাধীন রাজা চাকলা রোশনাবাদের জন্য মোগলদের অধীনস্থ এক করদাতা জমিদারে পর্যবসিত হয়। মোগলদের পর ইংরেজ আমলেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। কি করে বিভিন্ন রাজার আমলে বহিঃশক্তি স্বাধীন ত্রিপুরাকে ধীরে-ধীরে গ্রাস করে নেয় তা-ই এই অমূল্য বইতে উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছেন লেখক। Details..
List of all books ■ ■

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
◕ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা - Sept, 2021 ফলাফল Details..
■ স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা - মে, ২০২১ ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ Hindi Story writing competition... Details..
■ RiyaButu.com হল লেখক / লেখিকাদের গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ প্রকাশ করার একটি মঞ্চ। ঘরে বসেই নির্দ্বিধায় আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন সারা-বছর ... Details..


◕ RiyaButu.com, এই Website টি সম্পর্কে আপনার কোনও মতামত কিংবা পরামর্শ, কিংবা প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। যোগাযোগ:
E-mail: riyabutu.com@gmail.com / riyabutu5@gmail.com
Phone No: +91 8974870845
Whatsapp No: +91 7005246126