Home   |   About   |   Terms   |   Contact    
A platform for writers

অসময়ের ইতিবৃত্ত

বাংলা গল্প

All Bengali Stories    110    111    112    113    114    115    (116)     117    118   


■ প্রচারেই প্রসার। RiyaButu.com এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করতে ... Details..

■ প্রতি বছর RiyaButu.com এর বাংলা বিভাগে প্রকাশিত সকল লেখাগুলির মধ্য থেকে সেরা ২৫টি লেখা নিয়ে এবং অবশ্যই লেখাগুলির লেখক / লেখিকাদের অনুমতিক্রমে, ডিসেম্বর মাসে বই আকারে[ Hardcopy ] প্রকাশিত হবে 'RiyaButu সাহিত্য সংকলন' Details..

■ অনেক বইয়ের কথা     ( A free platform to advertise your book on RiyaButu.com )     Details

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
■ 'নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার' মে, ২০২১ ( স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা) ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, সেপ্টেম্বর - ২০২১ Details..



অসময়ের ইতিবৃত্ত
বাংলা গল্প
স্বরচিত গল্প প্রতিযোগিতার ( নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার , ২০২১) একটি নির্বাচিত গল্প
লেখক- শান্তনু চ্যাটার্জী, বাবা- বিমলেন্দু চ্যাটার্জী, ন্যাশনাল পার্ক, নৈহাটি, উত্তর ২৪ পরগণা


25 th July, 2021

## অসময়ের ইতিবৃত্ত
আমাদের সামনে পড়ে আছে কতকগুলো হলুদ হয়ে যাওয়া ঘাস। সভ্যতার রোলার তাদের পিষে দিয়ে গেছে, ফেলে রেখে গেছে কেবল ধূসরতা। জীবনও তেমনি বিবর্ণ হয়ে আসে। শতাব্দী পেরিয়ে এসে সভ্যতা বড়ো একটা ঝাঁকুনি খেল এবার, আর আমাদের স্বপ্নগুলো গেল মরে।

তুলকালাম বেঁধে যেত আরেকটু হলেই। সুচেতনার এমনিতেই দেরী হয়ে গেছিল বাড়ি থেকে বেরোতে। তার ওপর আবার তালপুকুরের মোড়ে ট্রাফিক জ্যাম। সব মিলিয়ে আধঘণ্টার ওপর দেরী হয়েই গেল। রাজীব এতক্ষণে নিশ্চয়ই খুব রেগে গেছে। আজ একটা ঝামেলা না-বেঁধে যাবে না।

যাই হোক, সুচেতনা যখন লাইব্রেরীতে পৌঁছল, রাজীব ভারতীয় সংবিধানের বই পড়ছিল। সুচেতনা মুখ থেকে মাস্ক খুলে রাজীবের পাশে বসে বলল, "সরি, দেরী হয়ে গেল। তার ওপর রাস্তায় যা জ্যাম না, টোটো এগোতেই পারছিল না। "

রাজীব ওর কথার সরাসরি কোন উত্তর দিল না। সে বলল, "এবার কিন্তু ইকনমিক্সটা পড়তে হবে," এই বলে সে হঠাৎ থমকে গেল। সুচেতনাকে মাস্কটা ব্যাগের ভেতর ঢোকাতে দেখে রাজীব বলে ওঠে, "এখন আবার এসব নতুন ফ্যাশান শুরু হয়েছে..."

ফস করে জ্বলে ওঠে সুচেতনা, "ফ্যাশানের কি আছে? যেটা প্রয়োজন সেটাই ব্যবহার করছি। করোনা ভাইরাস তো ভারতেও ছড়াতে শুরু করেছে। কলকাতার একটা ছেলে তো আবার বিদেশ থেকে এসে এদিক- ওদিক ঘুরে বেড়ালো। এখন এর জন্য ভুগবো তো আমরা। এখন নিজে সচেতন হতে না পারলে ভুগতে হবে। "

রাজীব ফের তর্ক করে, "আচ্ছা সুচি, তুই এই মাস্কটা কত টাকা দিয়ে কিনেছিস?"

"তিরিশ টাকা। "

"এবার বল তো, এই ভারতের কতগুলো লোক এই তিরিশ টাকা খরচ করে মাস্ক কিনবে? আমার তো মনে হয় না, সবাই এই করোনার জুজুতে ভয় পেয়ে মাস্ক পরে থাকবে। "

"যদি না থাকে, তবে রোগ আরো ছড়াবে। ইটালি, ব্রিটেনের যা অবস্থা। এই সব আম-পাবলিকের অসচেতনতার জন্যই তো রোগ ছড়ায়, তাই না?"

রাজীব বলে, "আচ্ছা? আম পাবলিকের জন্য রোগ ছড়ায়? আর সরকারের কোন দায় থাকে না?"

সুচেতনা বলে, "শোন, নিজের ভালোটা নিজেরা না বুঝলে সরকারের দোষ দিয়ে লাভ নেই। বুঝলি? এখন পড়। "

তর্ক বেশিদূর এগোল না, ওদের মধ্যে এমনটাই হয়। মাঝে-মাঝে তুমুল তর্ক লাগে, যেন হাতাহাতি লাগবার জোগাড়, অথচ পরক্ষণেই ওরা এমন আচরণ করে যেন কিছুই হয় নি। এই যেমন এখন, দুজনে নিবিষ্ট মনে বসে পড়াশুনা করছে। দুজনেই সিভিল সার্ভিসে যেতে চায়। তার জন্য গ্র্যাজুয়েশন পাশ করেই গ্রুপ স্টাডি করছে। এখন ডব্লুবিসিএসটাই ওদের মূল টার্গেট। কোচিং নেবার মত সামর্থ্য ওদের নেই। তাই কিছু বই কিনে আর এই লাইব্রেরীর বই নিয়ে পড়াশুনা চালাচ্ছে।

লাইব্রেরী সাড়ে সাতটার সময় বন্ধ হবে। ততক্ষণ চলবে ওদের এই চর্চা। তারপর ঘণ্টা-খানেকের জন্য গঙ্গার ঘাটে হাল্কা অবসর। লিচু-বাগান ঘাটটা বেশ একটু নির্জন। নদীর পাড়ে ছলাৎ-ছলাৎ শব্দটা স্পষ্টতর হয়ে তাই কানে আসে। সেটা একটা ছন্দ হয়ে বাজে, যেন কোনও এক দুর্বোধ্য কবিতার দুরূহ অনুরণন, শুনতে বেশ লাগে। টুকরো কথা, বিচ্ছিন্ন সংলাপ, নির্জনতা আর ছলাৎ-ছলাৎ।

রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ রাজীব যখন বাড়ি ফিরল, বাড়িতে তার জন্য একটা একটা দুঃসংবাদ অপেক্ষা করছিল। বাবার বুকে হাল্কা একটা যন্ত্রণা হচ্ছে, তার সাথে রয়েছে অত্যন্ত ক্লান্তি-ভাব। এমনিতে প্রিয়তোষের হার্টের একটা সমস্যা ছিলই। তার ওপরে ক’দিন ধরে খাওয়া-দাওয়ারও খুব অনিয়ম হচ্ছে। দোকানের মিহির-কাকু বেশ কয়েকদিনের জন্য ছুটি নিয়েছে। তাই বাবাকেই এখন একা-হাতে দোকানটা সামলাতে হচ্ছে। এর ফলে ঠিক সময়মতো খাওয়া হচ্ছে না। বাবা বলে, "চিন্তা করিস না, ও ঠিক হয়ে যাবে। কিছুক্ষণ শুয়ে থাকি। তাহলেই দেখবি সব ঠিক হয়ে গেছে। গ্যাসের সমস্যায় মাঝে-মাঝে এরকম হয়।"

তবে বাবার এই বুকের সমস্যাটা ইদানীং বেশ বেড়েছে। এই তো সেদিন হঠাৎ করে বুক ধড়ফড়ানি শুরু হয়েছিল। তবে সেদিন বাবার অনিচ্ছাসত্ত্বেও কিছুটা জোর করেই তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছিল রাজীব। পাড়ার ডাক্তার, অনির্বাণ-বাবু সব দেখেশুনে গম্ভীর মুখে একটা ইসিজি করতে দিলেন। কিন্তু ইসিজি রিপোর্ট ভালো এল না। ডাক্তার বললেন, "কোরোনারি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করাতে হবে, যত দ্রুত সম্ভব।"

কিন্তু বাবা নিমরাজি। দোকান চালাবে কে? তাছাড়া সেটা নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময়। নতুন বছরের পাঠ্য বই কিনবে সকলে। লক্ষ্মীর ঝাঁপি খোলার এই তো সুবর্ণ সুযোগ, তাই তাকে হাতছাড়া করতে প্রিয়তোষ পারেনি, রাজীবও সেদিন তাকে বুঝিয়ে সফল হয়নি। কিন্তু আজ এতো সহজে মুক্তি মিলল না প্রিয়তোষের। অনেক রাত্তিরে হঠাৎ মায়ের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় রাজীবের। "মনা, শিগগির ওঠ, দেখ তোর বাবা কেমন করছে," মায়ের ভয়ার্ত মুখটা দেখে বিছানা থেকে তড়াক করে লাফিয়ে উঠলো রাজীব, পাশের ঘরে দৌড়ল সে। বাবা বিছানায় শুয়েছিল। লোমশ খালি বুকটা তৈলাক্ত। একটা তেলের বাটি পাশে রাখা। মা বলল, "শুরু হয়েছে বুক ধড়ফড়ানি। কিছুতেই কমছে না। আমি তো বুকে গরম তেল মালিশ করলাম। কিন্তু.." বাবা প্রায় গোঙাতে-গোঙাতে বলে, "খুব কষ্ট হচ্ছে রে মনা। তুই একটু ডাক্তারবাবুকে ফোন কর।"

বাবার কথা বলা অব্ধি আর অপেক্ষা করেনি রাজীব, সে ডাক্তারকে ফোন করতে থাকে। কিন্তু তার ফোন সুইচড অফ। একটা আহাম্মক! ওষুধের ব্যাগটা থেকে দ্রুত সব ওষুধ বিছানায় ফেলে সে একটা ছোট্ট বড়ি বাবাকে দেয়। বলে, "এটা জিভের তলায় রাখো, গিলবে না।"

আধঘণ্টা পর একটু সুস্থ লাগলো। রাজীব ভাবছিল, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বেরোবে কিনা। কিন্তু বাবাই বারণ করলো। সারাটা রাত কাটল একটা প্রবল দুশ্চিন্তার মধ্যে দিয়ে। পরের দিন ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রথমেই বেশ কিছুটা ধমক খেলো বাবা আর ছেলে। ডাক্তারবাবু বলেই দিলেন, "এরপর অ্যাঞ্জিও না করলে আমার আর কোন দায়িত্ব নেই," এই বলে তিনি একটা হাসপাতালের নাম করে প্রিয়তোষকে রেফার করে দিলেন অন্য এক ডাক্তারবাবুর কাছে। অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার জন্য কার সাথে কিভাবে যোগাযোগ করতে হবে তাও বলে দিলেন। ঠিক হল, একদিন পরেই হাসপাতালে যাওয়া হবে। এবার আর 'না' করতে পারলো না প্রিয়তোষ নিজেও। কিছুটা হলেও তার মনে ভয় ধরেছে। বাবা রাজী হয়েছে দেখে রাজীবও খুশি। আর বাধা রইল না। সে ঠিক করে ফেললো, অ্যাম্বুলেন্সের সাথে আজ সন্ধেবেলাতেই কথা বলবে। কিন্তু আর কিছুই করা হল না। দুম করে ঘোষণা করা হল, কাল থেকে সারা দেশ লকডাউনে চলে যাচ্ছে। জীবনের থেকে জীবনের দূরত্ব ছ'ফুট বজায় রাখলে, জীবনের থেকে জীবন মুখে মুখোশ পরে আলাদা হয়ে গেলে, জীবনকে আর আগের মতো করে চেনা যায় না। ঘরের মধ্যে থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখাটাই যখন দস্তুর, তখন নিজেকেও বিচ্ছিন্ন মনে হয় নিজের থেকে। রাহুগ্রস্ত স্তব্ধ এক পৃথিবীকে বয়ে নিয়ে চলেছি।

#

রাজীবের ডায়রি থেকে-
৩১ শে মার্চ, ২০২০
২৫ তারিখ থেকে দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। ২১ দিন টানা চলবে। বাড়ি থেকে বেরোনো মানা। বাস-ট্রেন, অটো-টোটো কিছুই চলবে না। শুধুমাত্র জরুরী কাজকর্ম ছাড়া অন্য কোন কাজ করবার ছাড় নেই। রোগের প্রকোপ এদিকে বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে মহামারী না বলে অতিমারী অভিধা দিয়েছে। এই লকডাউন ব্যাপারটাকে নিয়ে আমি দু-ধরনের মানুষ দেখলাম। একধরনের মানুষ করোনা ভাইরাসের এই হারে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা অনেক আগে থেকেই সাবধান হয়ে চলছে। সরকারীভাবে লকডাউন ঘোষণা করবার আগে থেকেই নিজেরাই নিজেদের ওপর লকডাউন জারি করে ফেলেছে। আমাদের পাশের বাড়ির অনুপ-কাকু, নিজে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে না। কাজের লোক আর রান্নার লোককে সবেতন ছুটি দিয়ে দিয়েছে। বাজার-ঘাট করতেও বাজারে যায় না। ভ্যানে করে যারা বাজারের জিনিস ফেরি করে, তাদের থেকেই কেনে। মুখে মাস্ক পরে। মাথায় রুমাল বাঁধে। হাতে গ্লাভস্ আঁটে। বাড়ির চৌহদ্দি থেকে এক পাও না বাড়িয়ে কোনোরকমে বাজার সারে। আর একটা দোষও আছে অনুপ-কাকুর। শুনছি, বাড়িতে নাকি সে চার বস্তা চাল, দু-বস্তা আলু, গোটা দশেক সাবান, হ্যান্ড ওয়াশ, স্যানিটাইজার জমিয়ে রেখেছে। সরকারী কলেজের প্রফেসর হওয়ার দরুন মাইনে তো আর কমছে না, তাই দেদার কিনে জমিয়ে রাখছে। তবে শুধু অনুপ-কাকুকেই বা দোষ দিই কেন? ওর মতো লোক এ পাড়ায় তো আর কম নেই। আর আমাদের হয়েছে জ্বালা। মুদিখানার দোকানে গেলে কিছুই পাই না। সত্যিই বিচিত্র লোক এরা!

আর কিছু ধরনের লোক দেখলাম, যারা ভাইরাস নিয়ে মোটেই তত চিন্তিত নয় যতটা তাদের রুটিরুজি নিয়ে। আমাদের পাড়ার নিতাইদা। নিতাইদা ছিল রেলের হকার। এখন ট্রেন বন্ধ হবার পর, বলতে গেলে, কিছুই করে না। বৌ আর এক মেয়ে আছে। মেয়ে সামনের বছর স্কুল ফাইনাল দেবে। নিতাইদা বলে, "এসব বড়োলোকেদের অসুখ। আমাদের এসব রোগে কিস্যু হবে না। কোথাকার কোন এক ভাইরাসের জন্য লকডাউন করে দিলো, এবার তো আমরা না খেয়ে মরবো।"

বাবা মিহির-কাকুকে বলে দিয়েছে, "এ মাসটা মাইনে দিতে পারবো, কিন্তু সামনের মাস থেকে আর পারবো না।"

মিহির-কাকু আমাদের দোকানে কাজ করে। ওর দুটো ছেলে আছে। একজন ক্লাস এইটে পড়ে, অন্যজন ক্লাস ফাইভ। সেদিন বাড়ির ব্যালকনি থেকে দেখলাম মিহির-কাকু রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে ডাকলাম, কিন্তু সে কোনও উত্তর করলো না। শুধু একবার ম্লান হেসে চলে গেলো।
Next Part


All Bengali Stories    110    111    112    113    114    115    (116)     117    118   


## Disclaimer: RiyaButu.com is not responsible for any wrong facts presented in the Stories / Poems / Essay or Articles by the Writers. The opinion, facts, issues etc are fully personal to the respective Writers. RiyaButu.com is not responsibe for that. We are strongly against copyright violation. Also we do not support any kind of superstition / child marriage / violence / animal torture or any kind of addiction like smoking, alcohol etc. ##

◕ ◕ Online Book Shop
নামঃ রাজগি ত্রিপুরা ও চাকলা রোশনাবাদ
লেখক - পান্নালাল রায়

Books on Tripura

ভারতে মোগল শক্তির অভ্যুদয়ের পর মোগলরা ত্রিপুরার সমতল এলাকা জয় করে তার নাম রেখেছিল রোশনাবাদ। ধীরে-ধীরে ত্রিপুরার স্বাধীন রাজা চাকলা রোশনাবাদের জন্য মোগলদের অধীনস্থ এক করদাতা জমিদারে পর্যবসিত হয়। মোগলদের পর ইংরেজ আমলেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। কি করে বিভিন্ন রাজার আমলে বহিঃশক্তি স্বাধীন ত্রিপুরাকে ধীরে-ধীরে গ্রাস করে নেয় তা-ই এই অমূল্য বইতে উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছেন লেখক। Details..
List of all books ■ ■

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
■ স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা - মে, ২০২১ ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা - সেপ্টেম্বর, ২০২১ Details..
■ Hindi Story writing competition... Details..
■ RiyaButu.com হল লেখক / লেখিকাদের গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ প্রকাশ করার একটি মঞ্চ। ঘরে বসেই নির্দ্বিধায় আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন সারা-বছর ... Details..


◕ RiyaButu.com, এই Website টি সম্পর্কে আপনার কোনও মতামত কিংবা পরামর্শ থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। যোগাযোগ:
E-mail: riyabutu.com@gmail.com / riyabutu5@gmail.com
Phone No: +91 8974870845
Whatsapp No: +91 7005246126