Home   |   About   |   Terms   |   Contact    
RiyaButu
A platform for writers

নয়নবুধী


ত্রিপুরার ইতিহাসের পটভূমিতে একটি উপন্যাস


All Bengali Stories    40    41    42    43    44    (45)    46    47    48   

হরপ্রসাদ সরকার, ধলেশ্বর-১৩, আগরতলা

নয়নবুধী
( এক পাঁজালীর প্রেমিকা )
পর্ব ১
ত্রিপুরার ইতিহাসের পটভূমিতে একটি উপন্যাস
হরপ্রসাদ সরকার, ধলেশ্বর-১৩, আগরতলা
০৬-০৩-২০১৯ ইং


■ প্রচারেই প্রসার। RiyaButu.com এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করতে ... Details..

■ প্রতি বছর RiyaButu.com এর বাংলা বিভাগে প্রকাশিত সকল লেখাগুলির মধ্য থেকে সেরা ২৫টি লেখা নিয়ে এবং অবশ্যই লেখাগুলির লেখক / লেখিকাদের অনুমতিক্রমে, ডিসেম্বর মাসে বই আকারে[ Hardcopy ] প্রকাশিত হবে 'RiyaButu সাহিত্য সংকলন' Details..

■ অনেক বইয়ের কথা     ( A free platform to advertise your book on RiyaButu.com )     Details

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
■ 'নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার' মে, ২০২১ ( স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা) ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, সেপ্টেম্বর - ২০২১ Details..



◕ নয়নবুধী
পর্ব ১

১৫৬০ , ত্রিপুরার রাজধানী তখন রাঙামাটি। উদয়পুর নামটি তখনো হয়নি। ত্রিপুরার রাজসিংহাসনে মহা প্রতাপশালী মহারাজ বিজয়মাণিক্য (দ্বিতীয়) আসীন আর দিল্লীর সিংহাসনে মোগল সম্রাট আকবর। আকবরের নবরত্ন সভার এক রত্ন, আবুল ফজল তার 'আইন-ই-আকবরি' গ্রন্থে মহারাজ বিজয়মাণিক্যের নাম অতি সম্মানের সাথে উল্লেখ করেছেন। তার মত অনুসারে, ঐ সময়ে মহা প্রতাপশালী রাজা বিজয়মাণিক্য যুদ্ধক্ষেত্রে দুই লক্ষ্য পদাতিক সৈন্য এবং প্রায় এক হাজার হাতি প্রেরণ করতে সক্ষম ছিলেন। তাছাড়াও উনার ছিল প্রচুর অশ্ব-বল ও প্রচুর রণতরী। ঐ আমলে ত্রিপুরা ছিল অত্যন্ত ক্ষমতা সম্পন্ন একটি রাজ্য। তৎকালে ত্রিপুরার এক সেনাপতি ছিল গোপীপ্রসাদ।

প্রথম জীবনে গোপীপ্রসাদ ছিল ত্রিপুরার উত্তরাঞলের একজন অতি সাধারণ গোমস্তা। খুব চতুর এই গোমস্তার কথা একদিন মহারাজের কানে আসে। মহারাজ তাকে রাজধানী রাঙামাটিতে এনে রন্ধনশালায় কাজ দেন। সেখানেও তার চতুরতা আর বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পেয়ে মহারাজ প্রথমে তাকে চৌকিদার ও পরবর্তীকালে ধীরে-ধীরে পদোন্নতি করে তাকে এক সেনাপতির পদে নিযুক্ত করেন। এই গোপীপ্রসাদ ছিল অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী। শৈশব থেকেই সে তার মনে অতি-উচ্চ আকাঙ্ক্ষা পালন করত। সে বুদ্ধিমান ও সুচতুর অবশ্যই ছিল, কিন্তু পাশাপাশি প্রচণ্ড সুযোগ সন্ধানী। মহারাজের ধার ঘেঁষে-ঘেঁষে মহারাজের মন জয় করে একে-একে নিজের সকল সুখ-সুবিধা, সকল সিদ্ধি আদায় করতে থাকে সে; সেনাপতির পদটিও তেমন ভাবেই পাওয়া।

সেনাপতি হবার পর গোপীপ্রসাদের উচ্চ আকাঙ্ক্ষা যেন আকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। তার নজর গিয়ে পড়ে সোজা রাজসিংহাসনের উপর; যে করেই হোক এই রাজসিংহাসন লাভ করতেই হবে। সে অতি গোপনে, চতুরতার সাথে তার এক দীর্ঘ ষড়যন্ত্র শুরু করে। সেই ষড়যন্ত্রের প্রথম ধাপে খুব চালাকি করে নিজের অতি সুন্দরী কন্যা জয়াদেবীকে মহারাজের কনিষ্ঠ পুত্র, কুমার অনন্তের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। ফলস্বরূপ কিছুদিনের মধ্যেই গোপীপ্রসাদ ত্রিপুরার এক ক্ষমতা কেন্দ্রে পরিণত হয়। কিন্তু তখনো সিংহাসন লাভের বাধা ছিল মহারাজের আপন ভাই 'অমরমাণিক্য' ও মহারাজের জ্যেষ্ঠ পুত্র। এই জ্যেষ্ঠ পুত্রকে সরিয়ে দিতে গোপীপ্রসাদ তার পরবর্তী চাল চালল। রাজ্যের এক খ্যাতনামা জ্যোতিষ এবং গণক ঠাকুরকে প্রচুর অর্থ-সম্পদ দিয়ে সে নিজের দলে টেনে নেয়। কারণ, মহারাজ সেই জ্যোতিষের কথা খুব মানতেন। গোপীপ্রসাদের প্ররোচনাতে সেই জ্যোতিষ রাজদরবারে ঘোষণা করল, "গ্রহ-নক্ষত্র এবং কালের বিচারে রাজ্যের পরবর্তী রাজা হবেন মহারাজের কনিষ্ঠ পুত্র, কুমার অনন্ত। আর জ্যেষ্ঠ পুত্র ধর্মের পথ অনুসরণ করে উড়িষ্যার জগন্নাথ পুরীর দিকে যাত্রা করবেন, কালে তিনি এক বড় সাধক হবেন ও বংশের নাম উজ্জ্বল করবেন।"

কিন্তু কি আশ্চর্য, ষড়যন্ত্রই হোক আর গ্রহ-নক্ষত্রের বিচারেই হোক, তাই হল। জ্যোতিষ ঠাকুরের কথা শুনে মহারাজ তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্রকে ধর্মের পথে, জগন্নাথ পুরীর দিকে যাত্রা করালেন। সেই পুত্র কোনোদিন আর ত্রিপুরায় ফিরে আসেনি। এত পরাক্রমশালী মহারাজ কেমন করে এক ষড়যন্ত্রীর কথায় চলে এলেন, এ নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হলেও গোপীপ্রসাদের এই চক্রান্তটি সফল হয়ে গেল। এর কিছুকাল পরে, ১৫৬৩ খ্রিষ্টাব্দে বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মহারাজ বিজয়মাণিক্য মারা যান। গোপীপ্রসাদ খুব ভাল করে জানত যে, মহারাজ বিজয়মাণিক্যের ভাই 'অমরমাণিক্য' মহারাজের মতই পরাক্রমী এবং বীর। তাই সে অতি চালাকির দ্বারা অমরমাণিক্যকে দূরে রেখে নিজের জামাতা কুমার অনন্তকে ত্রিপুরার রাজা ঘোষণা করে দেয়। নিজের মৃত ভাইয়ের ছেলে রাজা হওয়ায় অমরমাণিক্যও চুপ-চাপ হাসিমুখে সব মেনে নেন, এ ব্যাপারে উনার মনে কোনও বিষও ছিল না। জন্মসূত্রেই অতি দুর্বল প্রকৃতির অনন্ত কুমার হয়ে গেলেন ত্রিপুরার মহারাজ অনন্ত মাণিক্য। অনন্ত মাণিক্য এত দুর্বল প্রকৃতির ছিলেন বলেই গোপীপ্রসাদ উনার সাথে নিজের মেয়ে জয়াদেবীর বিয়ে দিয়েছিলেন। আসল উদ্দেশ্য ছিল, এই দুর্বল জামাতাকে রাজা বানিয়ে, সর্বদা নিজের কুক্ষিগত রেখে, কাঠ-পুতলি রাজার আড়ালে নিজেই রাজ্য পরিচালনা করা, আর তারপর একদিন সুযোগ বুঝে জামাতার পরিবর্তে নিজেই রাজা হয়ে যাওয়া। সব পরিকল্পনা মতই চলতে লাগল, এবং পরবর্তী সময় তাই হল। মহারাজ অনন্ত মাণিক্যকে সাজানো-রাজা বানিয়ে গোপীপ্রসাদ রাজ্য পরিচালনা করতে লাগল। সকল ক্ষমতা তারই কুক্ষিগত ছিল। রাজ্যে তার কথাই ছিল শেষ কথা। এমত অবস্থায়, অনন্ত মাণিক্য রাজা হবার মাত্র দেড় বছরের মাথায়, গোপীপ্রসাদ এক পরিচারিকার দ্বারা অনন্ত মাণিক্যের খাবারে বিষ মিশিয়ে মহারাজকে হত্যা করে, নিজেকে ত্রিপুরার রাজা বলে ঘোষণা করে। রাজা হয়েই গোপীপ্রসাদ নিজের নতুন নাম ধারণ করল; উদয়মাণিক্য।

মহারাজ উদয়মাণিক্য ত্রিপুরার রাজপরিবারের কেউ ছিলেন না, তিনি নিজ কুট-রাজনীতি এবং হত্যার ষড়যন্ত্র দ্বারা ত্রিপুরার রাজা হয়েছিলেন। রাজা হয়েই তিনি রাজধানীর নাম নিজ নামের অনুরূপে রাঙামাটি থেকে উদয়পুরে পরিবর্তিত করলেন। অমরমাণিক্য কর্তৃক পুনরায় রাজ্য হারাবার ভয়ে পরাক্রমী অমরমাণিক্যকে রাজদ্রোহী ঘোষণা করলেন এবং প্রাণদণ্ডের আদেশ দিলেন। অমরমাণিক্য অতি বিশ্বস্ত কিছু সৈন্য নিয়ে ত্রিপুরার পাহাড়ি জঙ্গলে আশ্রয় গ্রহণ করলেন এবং পুনরায় রাজ্য দখলের উদ্দেশ্য সৈন্য সংগ্রহ শুরু করলেন। গোপীপ্রসাদের সকল ষড়যন্ত্রে কথা আর গোপন রইল না। সারা রাজ্য এই ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পারল, জানতে পারলেন জয়াদেবীও।

সুপ্রাচীন কাল থেকেই ত্রিপুরাতে নরবলি এবং সতীদাহ প্রথা খুব জোর-শোরে প্রচলিত ছিল, বাদ যায়নি ত্রিপুরার রাজপরিবারও। ত্রিপুরার প্রায় সব রাজার মৃত্যুর পরেই মহারাজের চিতার সাথে উনার কিছু রানী সহমৃতা হয়েছিলেন। বাদ যাননি মহারাজ ধন্যমাণিক্যের রানী, বাদ যাননি মহারাজ বিজয়মাণিক্যের রানী। ঠিক তেমনি, অনন্ত মাণিক্যের মৃত্যুর পরে উনার রানী জয়াদেবীও সহমৃতা হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু উদয়মাণিক্য নিজের মেয়েকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে দূরবর্তী এক স্থানের সর্বেসর্বা করে দিলেন। যেই উদয়মাণিক্য নিজের মেয়েকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন সেই উদয়মাণিক্যই তার আমলে রাজ্যের সুন্দরী নারীদের কাছে ত্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়ান। ঐ সময় ত্রিপুরার সুন্দরী রমণীদের কাছে নিজেদের রূপ, রং আর সুন্দরতা ছিল চরম অভিশাপ। কারণ, মহারাজ উদয়মাণিক্য উনি ছিলেন মাত্রাতিরিক্ত কামাসক্ত, নারী লোলুপ।

যৌবনের প্রায় শুরু থেকেই গোপীপ্রসাদ গোপনে-গোপনে অগণিত নারীর সাথে সম্ভোগ করেছিল। কিন্তু তখন সবটাই হয়েছিল গোপনে, কারণ রাজসিংহাসনে ছিলেন মহারাজ বিজয়মাণিক্য। অপরদিকে গোপীপ্রসাদ, উদয়মাণিক্য নামে রাজদণ্ড হাতে নেবার পর তার এই নারী লোলুপতা বাধন ছাড়া হয়ে যায়। কে আটকাবে তাকে? ফলে রাজ্যের সুন্দরী নারীদের উপর নেমে আসে করাল অভিশাপ। মহারাজের সেবার জন্য গৃহস্থের রূপবতী-সুন্দরী স্ত্রী, পুত্রীকে জোর করে রাজপ্রাসাদে নিয়ে আসা ছিল রোজনামচার ঘটনা। কথিত আছে যে, কোনও-কোনও রমণীকে কিছুদিন ভোগ করে, মহারাজ নিজের খুশিমতো কোনও সভাসদের হাতে তাকে তুলে দিতেন। এটা ইতিহাস প্রসিদ্ধ যে, মহারাজ উদয়মাণিক্যের রাজপ্রাসাদে উনার ২৪০ জন স্ত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার নিয়মিত পর পুরুষের সঙ্গ করতেন। এত সবের আড়ালে আবার এক শ্রেণীর রাজ-কর্মচারী ছিল, যারা মহারাজের নামের আড়ালে নিজেরাই নারী সম্ভোগ করে গেছে। এক কথায় রাজ্যে তখন চরম আতঙ্ক, চরম বিশৃঙ্খলা। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, বিচার প্রার্থী কিংবা অপরাধী, মহারাজ যখন যার খুশি হাত-পা কেটে দিতেন। নিরপরাধ প্রজার নাক-কান কেটে দেওয়া ছিল অতি নিত্য ঘটনা। অতি সামান্য অপরাধেও ক্ষুধার্ত কুকুরের সামনে ছেড়ে দেওয়া, হাতির পায়ের তলায় পিষে মারা ছিল অতি সাধারণ বিচার; নরবলি তো ছিলই। এমন কি, মহারাজ উদয়মাণিক্য নিজ হস্তে প্রচুর অপরাধীর মস্তক ছেদন করেছিলেন।

সময় কখনো এক যায় না। মহারাজ উদয়মাণিক্যের বিরুদ্ধেও জনমতে প্রচণ্ড আক্রোশ ও অসন্তোষ ধীরে-ধীরে বাড়তে লাগল, আর তাকে কাজে লাগিয়ে অমরমাণিক্য গোপনে নিজ সৈন্য সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি করতে লাগলেন। লক্ষ্য, উদয়পুর আক্রমণ করে উদয়মাণিক্যকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, প্রজাদের রক্ষা করা, ত্রিপুরায় পুনরায় শান্তির এবং ন্যায়ের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।

এমনি যখন রাজ্যের পরিবেশ-পরিস্থিতি, সেই সময় একদিন মহারাজ উদয়মাণিক্যের নজর গিয়ে পড়ল রাজপথের পাশের এক বাড়ির এক অষ্টাদশী গৃহবধূর উপর। তার রূপে মহারাজের চোখ ধাঁধায়ে গেল। যেন আকাশের চাঁদ ধরা ধামে নেমে এল মহারাজের জন্য।

Next Part

গোয়েন্দা গল্প:
মাণিক্য   
সর্দার বাড়ির গুপ্তধন রহস্য   
প্রেমিকার অন্তর্ধান রহস্য   
লুকানো চিঠির রহস্য   


All Bengali Stories    40    41    42    43    44    (45)    46    47    48   


## Disclaimer: RiyaButu.com is not responsible for any wrong facts presented in the Stories / Poems / Essay or Articles by the Writers. The opinion, facts, issues etc are fully personal to the respective Writers. RiyaButu.com is not responsibe for that. We are strongly against copyright violation. Also we do not support any kind of superstition / child marriage / violence / animal torture or any kind of addiction like smoking, alcohol etc. ##

◕ ◕ Online Book Shop
নামঃ রাজগি ত্রিপুরা ও চাকলা রোশনাবাদ
লেখক - পান্নালাল রায়

Books on Tripura

ভারতে মোগল শক্তির অভ্যুদয়ের পর মোগলরা ত্রিপুরার সমতল এলাকা জয় করে তার নাম রেখেছিল রোশনাবাদ। ধীরে-ধীরে ত্রিপুরার স্বাধীন রাজা চাকলা রোশনাবাদের জন্য মোগলদের অধীনস্থ এক করদাতা জমিদারে পর্যবসিত হয়। মোগলদের পর ইংরেজ আমলেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। কি করে বিভিন্ন রাজার আমলে বহিঃশক্তি স্বাধীন ত্রিপুরাকে ধীরে-ধীরে গ্রাস করে নেয় তা-ই এই অমূল্য বইতে উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছেন লেখক। Details..
List of all books ■ ■

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
■ স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা - মে, ২০২১ ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা - সেপ্টেম্বর, ২০২১ Details..
■ Hindi Story writing competition... Details..
■ RiyaButu.com হল লেখক / লেখিকাদের গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ প্রকাশ করার একটি মঞ্চ। ঘরে বসেই নির্দ্বিধায় আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন সারা-বছর ... Details..


◕ RiyaButu.com, এই Website টি সম্পর্কে আপনার কোনও মতামত কিংবা পরামর্শ থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। যোগাযোগ:
E-mail: riyabutu.com@gmail.com / riyabutu5@gmail.com
Phone No: +91 8974870845
Whatsapp No: +91 7005246126