Home   |   About   |   Terms   |   Library   |   Contact    
A platform for writers

অচলা ফার্মেসী

বাংলা প্রেমের গল্প

All Bengali Stories    102    103    104    105    106    107    108    109    (110)     111    112   

-------- বিজ্ঞপ্তি ----------
■ 'স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের )', নভেম্বর, 2022 Details

◕ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা - সেপ্টেম্বর ২০২২, Result
--------------------------



অচলা ফার্মেসী
বাংলা প্রেমের গল্প
স্বরচিত গল্প প্রতিযোগিতার ( নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার , ২০২১) একটি নির্বাচিত গল্প
লেখক: মেহের জান্নাত, বাবা- মো. আলতাফুর রহমান তাপাদার, সৈয়দপুর, সিলেট সদর, সিলেট


07 th July, 2021

## অচলা ফার্মেসী
সামনে রাখা অর্ধেক খাওয়া চায়ের উপরে মাছি ভনভন করছে। আমি শেষ করতে পারিনি, যতবার খেতে ইচ্ছে হয়েছে বাবার রক্তচক্ষুর দিকে তাকিয়ে আর সাহস হয় নি। আমি রজত, রজত বিশ্বাস। এবার একটা কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছি। সব বন্ধুরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে বা অনার্স জীবনে পদার্পণ উপলক্ষে সেলফি তুলছে, আড্ডা দিচ্ছে, নতুন স্বপ্ন দেখছে, আমি গলির মোড়ের একটা মান্ধাতা আমলের ফার্মেসিতে বসে হিসাব মেলাচ্ছি।

ফার্মেসিটা আমার বাবার, তিনি ত্রিশ বছর ধরে অনেক কষ্টে এই ফার্মেসীটা চালিয়ে আসছেন। অন্তত ফার্মেসির চেহারা আর বাবার কৃপণতা দেখে যে-কেউ এটাই ভাববে। যদিও আমি জানি ঘটনা ভিন্ন। আশেপাশের কতকিছু বদলে গেল ঠিক আমার চোখের সামনেই। পাশের মতিন চাচার ভুষিমালের দোকানটা ঝকঝকে সুপার-শপ হয়ে গেলো, রন্টুদের সেলুন হয়ে গেলো জেন্টস পার্লার, বদলালো না শুধু অচলা ফার্মেসি। অচলা বিশ্বাস আমার স্বর্গত ঠাকুমার নাম। তার মাতৃভক্ত ছেলে সুজয় বিশ্বাস যখন আই.এ. পাস করেও কোন চাকরি জুটাতে পারছিলেন না এবং ঠাকুরদা এই কথা উঠতে-বসতে মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন অচলা বিশ্বাস তার পিতৃদত্ত কানের দুল-জোড়া বিক্রি করে ছেলেকে মূলধনের ব্যবস্থা করে দেন। ছেলে ত্রিশ বছরে সেই দোকানের ঠাকুমার ছবিতে ঝুলানো মালাটা ছাড়া আর কিছুর ইঞ্চি-খানেকও পরিবর্তন করেন নি। সড়কের পাশে অসংখ্য ফার্মেসি গজিয়ে উঠেছে, এক-একটা ফার্মেসি দেখলে মিনি-হসপিটাল মনে হয়, সেখানে আমাদের অচলা ফার্মেসি তার প্রাচীন চেহারা ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারে নি। কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি বাবার ক্যাশ বক্সে প্রতিদিন বাজারের অন্য দোকান থেকে বেশি না হলেও কম জমা হয় না।

প্রতিদিন ভোর আটটায় বাবা ফার্মেসি খুলেন আর রাত দুটোর আগে সেই দরজা কখনোই বন্ধ হয় না। এস.এস.সি পাশ করা অব্ধি আমাকেই এই দোকানের ক্যাশ সামলাতে হয়। নিতান্ত অনিচ্ছায় ভোরে উঠে দোকানে আসি, প্রায়ই বাবার জুতোর বাড়িতে ঘুম থেকে উঠতে হয়। কলেজে থাকতে বই-খাতা নিয়েই চলে আসতাম, দোকানে বসে-বসেই অংক কষতাম। তারপরেও অংক কি আর এত সহজে আমার মাথায় ঢুকে!

#
"ঠাস" করে একটা শব্দ হতেই চমকে উঠলাম, গালে জ্বলুনি শুরু হতে বুঝলাম শব্দটা কোথা থেকে এসেছে। বাবার দিকে তাকানোর সাহস হলও না। বাবা গর্জে উঠলেন, "সাধে কি আর অংকে ঊনষাট পেয়েছ? এযুগে কেউ পায়? এ্যাঁ! সতেরশো টাকা থেকে পাঁচশো পঞ্চাশ টাকা বাদ দিলে একহাজার পঞ্চাশ থাকে!!! হাদাঁরাম কোথাকার!"

মাথায় আরেকটা বাড়ি খাওয়ার ভয়ে গালের হাত যে কখন মাথায় চলে গেলো বুঝতে পারলাম না। আমার মাথায় তখন পাটিগণিত, বীজগণিত আর জ্যামিতি সব এলোমেলো হয়ে আছে। "এই ঔষধটা হবে এক পাতা?" রিনরিনে কণ্ঠটা আমায় বাঁচিয়ে দিলো। বাবা তখনকার মতো তার রাগ সামলিয়ে ডেস্কের ভেতরে ঢুকলেন। আমি মাথায় হাত দিয়েই মেয়েটার দিকে তাকালাম। একহারা গড়নের শ্যামলবর্ণ কন্যা। মুখ-জুড়ে স্নিগ্ধ বিষণ্ণতা, চোখের নিচে কালি, ছলছল করছে। মেয়েটার চোখের ক্লান্তিতে আমি আটকে গেলাম। মাথা থেকে হাত সরিয়ে নাম লেখা কাগজটা নিলাম। ঔষধটার নাম দেখে গত সপ্তাহের কথা মনে পড়তেই আবার মাথায় হাত চলে গেলো, ঢোক গিললাম। এটা তো স্কিজোফ্রেনিয়ার ঔষধ! এই ঔষধটা প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করায় গত সপ্তাহে বাবার এক পাটি জুতা নিখোঁজ হয়েছে। মানে আমার দিকে ছুড়ে মারার পর সেটা ড্রেনে গিয়ে পড়েছে, তারপর আর খুঁজে পাওয়া যায় নি। আমি ভয়ে-ভয়ে বাবার দিকে তাকালাম। উনি চিবিয়ে-চিবিয়ে বললেন, "জয়ী তোর পরেশ কাকার মেয়ে। তাকে ঔষধ দিতে আমাকে কোনদিন প্রেসক্রিপশন চাইতে দেখেছিস? প্রতি সপ্তাহেই তো সে ঔষধ নিয়ে যায়, তুই কি চোখ খুলে হাতে নিয়ে ঘুরিস?"

আমি হতাশ চোখে ক্লান্ত বালিকার দিকে তাকালাম। পৃথিবীতে আমার সব কাজই কিভাবে-কিভাবে ভুল হয়ে যায়, আমি ভেবে পাই না! মেয়েটা প্রতি সপ্তাহে ঔষধ নিয়ে যায় আর আমি জানি না! অবশ্য আমি ক্যাশেই থাকি বরাবর । কাস্টোমারদের বাবাই দেখেন।

মেয়েটার চোখের বিষণ্ণতা একটুখানি কেটে গেছে। আমার মনটা বিষিয়ে উঠলো; অন্যকে অপমানিত হতে দেখলে এই পৃথিবীতে সবাই মজা পায়, এমনকি এই নিষ্পাপ চেহারার মেয়েটাও। আমি এক পাতা ঔষধ দিয়ে হাত বাড়ালাম, "ষাট টাকা.."

মেয়েটা পুরো ব্যাগ খুঁজে-খুঁজে খুচরো পঞ্চাশ টাকা বের করে আমার হাতে দিয়ে অসহায় ভাবে তাকালো, ছলছলে চোখে জল গড়ানোর অপেক্ষা-মাত্র। কি ভয়ংকর বৈপরীত্য মেয়েটার নামের সঙ্গে! সেই দৃষ্টিতে আমার রাগ গলে জল হয়ে গেছে কবেই, কিন্তু বাবার জুতোর কথা মনে পড়তেই আবার তাঁর দিকে চোখ চলে গেলো। নাহ! রিস্ক নেয়া যায়, বাবা পত্রিকা পড়ছেন। আমি মাথা নাড়লাম, "চলবে, যান।"

মেয়েটা ধীর পদক্ষেপে চলে গেলো। আমি পথের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। ক্লান্ত ভঙ্গিতে মেয়েটা হাঁটছে। বাবাকে একবার দেখে নিয়ে পকেট থেকে দশ টাকা নিয়ে ক্যাশে রেখে দিলাম। ভয়ে-ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "পরেশ কাকার বাসায় কে অসুস্থ বাবা?"

বাবা পত্রিকা থেকে চোখ না সরিয়েই বিরক্তির স্বরে বললেন, "অকালকুষ্মণ্ড কোথাকার! ফার্মেসি চালাও আর এলাকার রোগীর খবর জানো না! অবশ্য পরেশ এ পাড়ার না! নাথপাড়ায় থাকে। তবু! জানবি না তুই! পরেশের বউয়ের মাথাটা খারাপ ছিল, একবছর হয় গত হয়েছে। সে শোকেই কিনা বড় ছেলেটাও সিজোফ্রেনিক হয়ে গেলো। এই মেয়েটাই মায়ের দেখাশোনা করেছে এতদিন, এখন ভাইটাকেও ওই দেখে। পরেশ তো সব দিনেরই উজবুক,নেশা-টেশা করে। মেয়েটার উপরই এখন সবকিছু। বড় ভালো মেয়ে..."

আমিও বিড়বিড় করি, "বড় ভালো মেয়ে!"

সেই শুরু। এখন আর প্রতি শনিবারে বাবার আমাকে ঝাঁটাপেটা করে ফার্মেসিতে আনতে হয় না। সপ্তাহের অন্যদিন যেখানে আমাকে আটটার আগে নড়ানো যায় না, সেখানে শনিবারে আমি সাতটায় দোকান খুলি, নিজ হাতে ঝাড়ামোছা করি। দুপুরে সে তার ক্লান্ত চেহারা আর ছলছলে চোখ নিয়ে আসে, আমি আমাদের 'হাঁপানি রোগীর' মতো আওয়াজ করতে থাকা ফ্যানটা ওর দিকে ঘুরিয়ে দেই, ঔষধের দাম জিজ্ঞেস করলে ইতস্তত করে বলি, "পঞ্চাশ টাকা.."

সে চলে গেলে দশ টাকা পকেট থেকে ক্যাশে জমা দেই। সে কিছুই বলে না, টাকাটা দেয়ার সময় হঠাৎ ঔষধের কিভাবে দাম কমে যায় এটা ভেবেই বোধহয় একটু অবাক হয়ে তার চির-বিষন্ন চোখ দিয়ে অদ্ভুতভাবে তাকায়। আমার পৃথিবী কেঁপে উঠে। যাবার সময় একরাশ বিষণ্ণতা আমার পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়ে সে চলে যায়। বিষণ্ণতাও বুঝি হাসির মতো সংক্রামক!

দিন যায়, বছর যায়, বিষাদ বালিকার ক্লান্তি বা বিষণ্ণতা কমার কোন লক্ষণ আমি দেখি না। প্রতিবার তার চেহারা বিষণ্ণ থেকে বিষাদময় হতে থাকে, তার পোশাকের মতোই তার গায়ের রঙও মলিন থেকে মলিনতর হয়। সেই ক্লান্ত চেহারা দেখে প্রতিবার আমার বুক ভেঙে যায়। এক চৈত্রের শনিবারে ঘুম থেকে উঠেই আমি গা ঝাড়া দিয়ে উঠলাম। নাহ! আজ আমাকে বলতেই হবে, প্রয়োজনে বাবার জুতোর বাড়ি খেতেও আমি রাজি। হাঁ করে থাকা দারিদ্র আর ওই অসুস্থ পরিবেশ থেকে আমি জয়ীকে বের করেই আনবো। সাততাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে বাবার রুমে যেতেই মা বললেন বাবা তৈরি হয়ে বেরিয়ে গেছেন আগেই। মনটা দমে গেলো, নির্ঘাত কপালে জুতার বাড়ি আছে আজ। তড়িঘড়ি বের হতেই অবাক হলাম, আমাদের পাড়াটা বড় নির্জন মনে হচ্ছে আজকে। কোন সাড়াশব্দ নেই। মনটা খচ করে উঠলো। ফার্মেসির দিকে যেতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পা কেটে গেলো । ফার্মেসি গিয়ে আরেক-প্রস্থ অবাক হলাম, দরজায় তালা। তবে! বাবা যে বেরুলেন! এই সাতসকালে ফার্মেসি না এসে গেলেনটা কোথায়! মনে করার চেষ্টা করলাম আমাদের কি অন্য কোথাও যাওয়ার কথা ছিল? যেটা আমি ভুলে গেছি! মনে পড়ছে না তো! ধুত্তোর ছাই! ফার্মেসি ছাড়া কোনও দোকানই দশটার আগে খোলে না। ফোনটা বের করে বাবাকে ভয়ে ভয়ে ফোন দিলাম। বাবা ফোন ধরেই বললেন, "রজত, এক্ষুণি একবার ওপাড়ার পরেশদের বাড়িতে আয় তো! তোর বন্ধুবান্ধবদেরও নিয়ে আসিস। শ্মশানে যেতে হবে।"

পরেশ-কাকা! জয়ী! কিছু হয়নি তো! ওর ভাইটা কি তবে মারা গেছে! মনের ভেতর বেজে উঠা পাগলা ঘণ্টাটাকে অনেক কষ্টে সামলে নিলাম। প্রায় দৌড়ে চললাম ওপাড়ায়। পরেশ-কাকার বাড়ি চিনে পৌছতে-পৌছতে গিয়ে দেখলাম ওদের উঠোন ভরে গেছে পাড়া প্রতিবেশীতে। বারান্দায় পরেশ কাকা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন! কাঁদতে-কাঁদতে, নাকি নেশায় জানি না চোখ লাল হয়ে আছে! বাবা পাশেই দাঁড়িয়ে সান্ত্বনা দিচ্ছেন। আমার উপর চোখ পড়তেই মনে হল গিলে খাবেন। আমি সেই দৃষ্টি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে একটা মুখই কেবল খুঁজছিলাম। আমাকে উদ্ধান্তের মতো এদিক-ওদিক তাকাতে দেখে রাঙা-কাকিমা এগিয়ে এলেন, ""কিরে রজু! তোর মা এলেন না? ওপাড়ায় বুঝি খবর যায় নি এখনো? আহা! মেয়েটা!"

আমার ভেতরটা মুচড়ে উঠলো। না জানি জয়ী ঠিক কতটা কষ্ট পাচ্ছে! মুখচোরা মেয়েটা তো মন-খুলে কাঁদতেও পারবে না। আহারে! ভাইটার জন্যে প্রাণান্ত চেষ্টা করেছে সে! আমি অস্ফুটে বললাম শুধু, "জয়ী!"

কাকিমা আমার কথা শুনে অবাক হয়ে বললেন, "তুই চিনতি নাকি! অবাক কাণ্ড! যা চুপচাপ মেয়ে! কি সহ্যশক্তি ছিল মেয়েটার! মা-ভাই- সংসার একা হাতে সামলেছে। এখন যে বাপ- ভাইকে কে দেখবে?"

শেষের কথাগুলো আমার কানেই ঢুকে নি। আমি অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি কাকিমার দিকে, "ছিল! ছিল মানে কি! এখন কোথায়!"

কাকিমা স্বগতোক্তি করলেন, "তা পরেশদারও আক্কেল! কতই আর সইবে মেয়েটা! ভাইটা পাগল তারপর যদি বাবাও নেশা করে বাড়ি ফেরে মারধর করে, সহ্য করবেটা কি করে সে! হলো তো এখন! সব যন্ত্রণা একবারে চুকিয়ে গেছে মেয়েটা! নইলে জয়ী কি আর আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে ছিল!"

আমার মনে হচ্ছে আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। পুরো পৃথিবী মূক হয়ে আছে অথবা আমি বধির হয়ে গেছি। আমি ঘুরলাম, এলোমেলো পা ফেলে আমি উল্টোদিকে হাঁটছি। পেছন থেকে কেউ একজন ডাকছে, "ওমা রজু! দাঁড়া! আরে এখন যাচ্ছিস কোথায়? কত কাজ বাবা এখানে!"

আমি হাঁটছি। আস্তে-আস্তে বেরিয়ে এলাম। একটা কাক তারস্বরে চেঁচাচ্ছে। "একটু অপেক্ষা করতে পারলে না জয়ী! আমি তো এই নরক থেকে তোমায় নিয়েই যেতাম! আরেকটু সহ্যই না হয় করতে!" আমি নিজের অজান্তেই বিড়বিড় করছি। কাকটা আমার পেছন-পেছন ডাকতে-ডাকতে আসছে। আমি হাঁটছি! এলোমেলো পা ফেলে হাঁটছি!

#
জয়ী মারা গেছে। বাবা আমাকে আবার দোকানে বসিয়েছেন। আমি সপ্তাহে ছ"দিন স্বাভাবিকভাবে কাজ করি। প্রতি শনিবারে আমার অস্থির লাগে, ঘোর সৃষ্টি হয়। আমার মনে হয় বিষণ্ণ বালিকা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি হিসেবে গোলমাল করি। বাবার মার খাই নিয়ম করে। তারপর অর্থহীন চোখে তাকিয়ে থাকি।

"এই ঔষধটা হবে? এক পাতা কত করে বলুন তো?" আমি নাম লেখা কাগজটার দিকে শূন্য চোখে তাকিয়ে আছি। অস্ফুট-স্বরে বললাম, "পঞ্চাশ টাকা!"
( সমাপ্ত )


Next Bangla Story

All Bengali Stories    102    103    104    105    106    107    108    109    (110)     111    112   


## Disclaimer: RiyaButu.com is not responsible for any wrong facts presented in the Stories / Poems / Essay / Articles / Audios by the Writers. The opinion, facts, issues etc are fully personal to the respective Writers. RiyaButu.com is not responsibe for that. We are strongly against copyright violation. Also we do not support any kind of superstition / child marriage / violence / animal torture or any kind of addiction like smoking, alcohol etc. ##


◕ RiyaButu.com, এই Website টি সম্পর্কে আপনার কোনও মতামত কিংবা পরামর্শ, কিংবা প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। যোগাযোগ:
E-mail: riyabutu.com@gmail.com / riyabutu5@gmail.com
Phone No: +91 8974870845
Whatsapp No: +91 6009890717