Home   |   About   |   Terms   |   Contact    
A platform for writers

স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা

নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার

২০২১ এর ফলাফল
২০২০ এর ফলাফল
২০১৯ এর ফলাফল
নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ এর নিয়মাবলীগুলি ছিল


■ প্রচারেই প্রসার। RiyaButu.com এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করতে ... Details..

■ প্রতি বছর RiyaButu.com এর বাংলা বিভাগে প্রকাশিত সকল লেখাগুলির মধ্য থেকে সেরা ২৫টি লেখা নিয়ে এবং অবশ্যই লেখাগুলির লেখক / লেখিকাদের অনুমতিক্রমে, ডিসেম্বর মাসে বই আকারে[ Hardcopy ] প্রকাশিত হবে 'RiyaButu সাহিত্য সংকলন' Details..

■ অনেক বইয়ের কথা     ( A free platform to advertise your book on RiyaButu.com )     Details

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
■ 'নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার' মে, ২০২১ ( স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা) ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, সেপ্টেম্বর - ২০২১ Details..

নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার, ২০২১
স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা, ২০২১
ফলাফল
নমস্কার, 'নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার, ২০২১' এ অংশগ্রহণকারী সবাইকে এবং পাঠকদের জানাই RiyButu.com থেকে অনেক-অনেক শুভেচ্ছা। দেশ, বিদেশ থেকে আমাদের কাছে এই প্রতিযোগিতার জন্য প্রচুর গল্প এসেছে। সবাই ভাল লিখেছেন, কিন্তু তার মধ্য থেকেও কিছু গল্প এমন আছে যেগুলি আমাদের মনে হয়েছে প্রকাশ না করলে লেখক ও পাঠক উভয় পক্ষের প্রতিই অবিচার করা হবে; পাঠক যেমন ভাল গল্প থেকে বঞ্চিত হবেন, তেমনি লেখকের এত সুন্দর গল্পটিও অগুনিত পাঠকের সমাদর লাভ করতে পারবে না। তাই আমরা এক প্রকার বাধ্য হয়েই বিজয়ী গল্পটির সাথে-সাথে, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী আরও কিছু গল্পকে প্রকাশ করতে উদ্যোগী হয়েছি। বিজয়ী গল্পটির নীচেই সেই তালিকা দেওয়া আছে। প্রতি রবিবার ও বুঝবার এই গল্পগুলি একে-একে প্রকাশিত হবে। গল্পের সাথে লেখকের নাম, ধাম সহ প্রকাশের তারিখ লেখা আছে। নির্দিষ্ট দিনে সেই তারিখের পাশেই গল্পের লিংকটি দেওয়া থাকবে। প্রসঙ্গত জানাই, আগামী নভেম্বর, 2021 এ RiyButu.com এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে ছোট গল্পের প্রতিযোগীতা ( ৬০০ শব্দের মধ্যে) বিষদ বিবরণ জানতে ক্লিক করুন স্বরচিত ছোট গল্প লেখার প্রতিযোগিতা, নভেম্বর- ২০২১

এ বছর ''নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার, ২০২১' এর বিজয়ী হয়েছেন

story-competition-2021
◕ লেখক অঙ্কন দাস
বাবার নাম: অমিয় দাস, সোন্দলপুর, অষ্টঘড়িয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ
গল্পের নামঃ বিসর্জন


## বিসর্জন
গ্রীষ্মের বিকেলে মনটা তাজা করার জন্য আমার চার-চাকাটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। সঙ্গে আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু প্রকাশ দত্ত আর আমার ড্রাইভার অমরেশ মাপদার। আমি এখন বলাগড় কোর্টের সরকারি উকিল আর প্রকাশ একজন প্রফেসর। আমাদের বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে সবাই আজ মোটামুটি ভালো জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। আমার ড্রাইভার অমরেশ মাপদার আমার বাবার কারখানার মুন্সিজীর ছেলে; খুব শান্তশিষ্ট। বয়স ত্রিশ-বত্রিশ, গাড়ি চালাতেও খুব দক্ষ। এক কথায় সে আমার বন্ধুরই মতন। ওর বাবার অনুরোধে ওকে এই কাজটা আমিই দিয়েছি। তাছাড়া আমারও একজন ড্রাইভারের দরকার ছিল। সুযোগ পেলেই আমরা তিনজন এদিক-ওদিক বেরিয়ে পড়ি। আজ আমরা ঠিক করেছি গঙ্গার হাওয়া-টাওয়া লাগিয়ে রাত্রিতে বাড়ি ফিরব। ধাত্রীগ্রাম সংলগ্ন মালতিপুরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সুন্দর ভাগীরথী নদী। তার শান্ত, স্নিগ্ধ জলে বহু মানুষ পুণ্য অর্জনের ইচ্ছায় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গঙ্গার ধারে বসে থাকে বৃদ্ধ-অবাল-বনিতারা। অবশ্য এই সময় একটু নির্জনে, গাছপালার আড়ালে বসে প্রেমিক-প্রেমিকারা প্রেমালাপ করতে থাকে। প্রেমালাপের সঙ্গীহীন ব্যক্তিরা একটি উঁচু টিবির উপর বসে গঙ্গার শীতল অনুভূতি যুক্ত হাওয়া লাগায়। পাশেই একটি বহু প্রাচীন শিব মন্দির। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মন্দিরের ভেতর ধূপ-দীপ জ্বলতে থাকে। এই মন্দিরে পুরোহিত আছেন দু'জন। একজনের ডিউটি সকাল থেকে দুপুর, আরেকজনের ডিউটি দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। সন্ধ্যার পরেই ভক্তদের নিবেদিত চাল, কলা, ফল, দক্ষিণা বোঁচকায় বেঁধে, মন্দিরে তালা দিয়ে পুরোহিত মশাই গৃহে ফিরে যান। তার ফেরার সময় ইট ভাট্টার ছোট-ছোট ছেলে-মেয়েগুলি হাত পাতলে, তিনি কলা ছাড়া আর কিছুই দেন না; তাতেই ছেলে-মেয়েগুলির দিব্যি আনন্দ।

বিকেল পাঁচটা নাগাদ আমরা গঙ্গার কাছে এসে পৌঁছলাম। আমরা দুই বন্ধু গাড়ি থেকে নেমে হাটতে লাগলাম আর অমরেশ গাড়িটা পার্কিং করে আমাদের কাছে আসবে। আমরা যেই মাত্র গঙ্গার ধারে এসেছি তখুনি আচমকা প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গেল। যারা বসেছিল তারা সকলে যে-যার মত ছুটে পালাল, আমরাও ছুটে গাড়ির দিকে আসতে লাগলাম। দেখলাম অমরেশ আমাদের দিকে ছুটে আসছে। ও বলল, "গাড়ি পার্কিং করার সময় একটা গজাল গাড়ির ডান দিকের সামনের চাকায় ডুকে গেছে। তাতে চাকাটা লিক হয়ে গেছে।" সুতরাং আর এগোবার কোনও উপায় নেই। কথাতেই আছে, ভগবান মারার হলে আর কে-ই বা বাঁচাতে পারে! আমরা তিনজন বাধ্য হয়ে শিবমন্দিরের বিস্তীর্ণ আট-চালায় গিয়ে বসলাম। মন্দিরের ভিতর তখনো দু-একটি বড়-বড় মোমবাতি জ্বলছে। মন্দিরে কোনও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নেই। ধীরে-ধীরে গোধূলির আলো ক্ষীণ হতে-হতে নিঃশেষ হয়ে গেল। তীব্র বাতাসের দাপটে মন্দিরের ভেতরের জ্বলন্ত মোমবাতিগুলির অগ্নিশিখা দোদুল্যমান। মন্দিরের চারিদিকে যেন এক আশ্চর্য অন্ধকারের খেলা চলছে। আমি ভেবেছিলাম আমরা তিনজন ছাড়া এই মন্দিরে আর কেউ নাই। কিন্তু আমার চলাফেরায় হঠাৎ আমার পায়ের আঘাতে এক ব্যক্তি একটু চীৎকার করে উঠল। ব্যক্তিটি কম্বল গায়ে মন্দিরের এক পাশে শুয়েছিল। কম্বলের ফাঁক দিয়ে তার দাড়ি, গোঁফ ভরা নোংরা মুখখানা দেখা যাচ্ছিল। তার এক মাথা পাকা চুল, পরনে ময়লা ছাই রঙের প্যান্ট, গায়ে জামা বলতে হয়তো কিছু নেই। স্বাভাবিক ভাবেই মনে হল ব্যক্তিটি এই চেনা পৃথিবীর অচেনা জীবেরই একজন। তার স্বভাবও তাকে পাগল বলেই চিহ্নিত করে।

মোমবাতির মৃদু আলোয় তার মুখখানা আমার কাছে হঠাৎ স্পষ্ট হয়ে উঠল। ঐ দাঁড়ি-গোঁফযুক্ত মুখের আড়ালে লুকিয়েছিল আমার স্মৃতিপটে জীবিত সুবেন মুখার্জি, তথা আমার ক্লাসফ্রেন্ড। আমি এক দৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়েই রইলাম। আচমকা প্রকাশের ডাকে আমার তন্দ্রাহীন ঘোর ভাঙ্গল। প্রকাশ বলল, "কি রে, ঐ পাগলটার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে আছিস?"

বললাম, "ও এখন পাগল ঠিকই, কিন্তু জানিস, একসময় ওর মধ্যে লুকিয়ে ছিল আমাদের ক্লাসের ফার্স্ট বয়ের নির্দিষ্ট স্থানটি। আমি শত চেষ্টা করেও কখনো ওর জায়গাটা দখল করতে পারিনি।"

"মানে তুই সেই সুবেনের কথা বলছিস?"

প্রকাশও বুঝতে পারল আজ সেই সুবেন তার সকল প্রতিভাকে বিসর্জন দিয়ে ভ্রাম্যমাণ জগতের সবচেয়ে চিন্তামুক্ত জীবিকা গ্রহণ করেছে।

তখন আমরা সবে ক্লাস ফাইভে উঠেছি। তখনো সুবেনের সঙ্গেও আমার পরিচয় ঘটেনি। আমার ধারণা ছিল আমিই এই ক্লাসের সেরা ছাত্র। আচমকা সেই ভুলটা ভেঙ্গে গেল একমাস যেতে-না যেতেই। প্রতিদিনের পড়া মুখস্থ করে একটা ছেলে স্যারের কাছে প্রিয় ছাত্র হয়ে উঠছে। পরে জানলাম আমি আর প্রকাশ যে রিক্সাওয়ালার রিক্সা চেপে রোজ স্কুলে যাতায়াত করি, এই ছেলেটি সেই রিক্সাওয়ালার একমাত্র ছেলে সুরেন মুখার্জি। আমরা ওর উপর খুব হিংসা করতাম। ফাইভের ফাইনাল পরীক্ষার পর বাবা বললেন, "সামান্য রিক্সাওয়ালার ছেলে হয়ে ও তোদের হারায় কি করে? তোদের লজ্জা করে না। পড়াশুনা ছাড়িয়ে দেব একেবারে!" কথাগুলি বলেই বাবা আমার দু'গালে ঠাস-ঠাস চড়াতে লাগলেন। তাই আমি একদিন স্কুলে সুবেনকে আধলা ইট ছুড়ে মারলাম। ওর মাথা ফেটে গলগল করে রক্ত পড়তে লাগল। ঘটনাটি আবার দেখে ফেলেছিলেন আমাদের প্রধান শিক্ষক মহাশয়। কিন্তু আমি খুব পয়সাওয়ালা বড় রাইস মিলের মালিকের ছেলে বলে ঐ যাত্রায় রেহাই পেয়ে যাই।

ক্লাস সিক্সেও আমি ফার্স্ট হতে পারলাম না। বাবা রেগে আবার আমাকে বেত্রাঘাত করলেন। এবার অবশ্য স্কুলে যাবার জন্য বাবা একটা মোটর গাড়ি কিনলেন। ড্রাইভার রাখলেন বাবার বিশ্বস্ত ড্রাইভারকে।

আমাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া আর ছুটির পর বাড়ী পৌঁছে দেওয়ার জন্য সুবেনের বাবা একটা মাস মাইনে পেত। একথা সুবেন ভালো ভাবেই জানতো। সে এটাও বুঝতে পারল যে, ওর বাবার এই কাজটা গেছে ওর ফার্স্ট হওয়ার জন্যই। তাই জানা অঙ্কগুলিও না করে ও ক্লাস সেভেনের ফাইনাল পরীক্ষা দিল। কিন্তু তীব্র প্রতিভা যার রয়েছে তার পরাজয় এত সহজে সম্ভব নয়। সেইবার অঙ্ক খাতা দেখেছিলেন আমাদের অঙ্ক-টিচার অজয়বাবু। তিনি সুবেনের মেধাকে খুব ভালভাবে জানতেন। তাই ঐ পরীক্ষায় সুবেনকে তিনি এক্সটা মার্কস দিয়ে এবারও প্রথম স্থানাধিকারী বানিয়ে দিলেন। যেদিন আমাদের রেজাল্ট বের হল সেদিন সুবেন অঝরে কেঁদেছিল, আর স্যারকে বার-বার বিনীত অনুরোধ করেছিল, স্যার যেন দয়া করে তাকে সেকেন্ড করে দেয়।

অজয়বাবু সব ঘটনাটা বুঝতে পেরে সুবেনকে বলেছিলেন, "সুবেন, আমি জানি তুমি তোমার বাবার কাজটা ফিরিয়ে দেবার জন্য ইচ্ছা করে ঐ অঙ্কগুলি দাও নি। কিন্তু জেনে রাখ, জীবনটা এত সংকীর্ণ নয়। তোমাকে খুব ভাল পড়াশুনা করে মানুষ হতে হবে। তোমার বাবাকে রিক্সাচালক থেকে সম্মানীয় মানুষ করে দিতে হবে। আর সেটা সম্ভব হতে পারে শুধুমাত্র ভাল পড়াশুনা করে তুমি একটি ভাল চাকরি পেলে। তোমাকে এখন থেকেই দেখাতে হবে যে, রিক্সাচালকের ছেলেও রাইস-মিলের মালিকের ছেলেকে পড়াশুনাতে হারানোর ক্ষমতা রাখে। শুধু মোটা টাকা দিয়েই শিক্ষাকে কেনা যায় না। শিক্ষা সব কিছুর ঊর্ধ্বে। জীবনের ধন, দৌলত, যৌবন, বার্ধক্য শিক্ষাকে কখনো বাঁচতে শেখায়নি, বরং শিক্ষা তাদের সবাইকে বাঁচতে শিখিয়েছে, চলতে শিখিয়েছে।"

সেই স্যারই সুবেনের বুকে প্রথম আগুন জ্বালিয়েছিল। আমরা দেখেছিলাম অজয়বাবু প্রায়ই সুবেনকে পড়াশুনার খরচ দিতেন। এই ভাবেই ক্লাস এইট, নাইন,টেন থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সুবেন ঝড়ের বেগে এগোতে থাকল। প্রত্যেক পরীক্ষায় ফার্স্ট।

স্কুল ছেড়ে কলেজে উঠার পর আমাদের সাথে বন্ধু-বান্ধবদের বিচ্ছেদ ঘটে গেল। যে-যার মত করে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হল, কেউ বা পড়াশুনা ছেড়েই দিল। আমি মুড়োগাছা কলেজে পল-সাইন্সে অনার্স নিয়ে ভর্তি হলাম। সুবেনও একই বিষয়ে একই কলেজে অনার্স নিয়ে ভর্তি হল। সুবেন পড়াশুনাটা আগের মতই চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু কিছুদিন পর ও যেন একটু বদলে গেল। সে কারোর প্রেমে পড়েছিল, আমি ওর হাবভাব দেখে অনুমান করেছিলাম। ও তখন শুধু কবিতা লেখে, গল্প লেখে আর গান গায়। কবিতায়, গল্পে আর গানে শুধু একটি মেয়েরই নাম; লীনা রায়। এ হল সেই লীনা রায় যার সাথে আমার প্রেম বহুদিনের। আমরা ওর এই প্রেমের সুযোগ নিলাম। লীনার সাথে সব ঠিক-ঠাক করা হল।

আমাদের প্ল্যান যেদিন স্টার্ট হল, যেদিন সুবেন লীনাকে প্রপোজ করল। লীনাও সুবেনের সাথে খুব সুন্দর প্রেমের অভিনয় করতে লাগল। সুবেন আমাদের খেলাটা বিন্দুমাত্র বুঝতে পারল না আর ওর পড়াশুনার বারোটা বাজতে লাগল।

সুবেন কলেজে এলেই লীনা, লীনা আরম্ভ করে। পড়াশুনা বাদ দিয়ে, ক্লাস ফাকি দিয়ে একসাথে গাছতলায় বসে গান গায়, সিনেমা দেখতে যায়, পার্কে ঘুরতে যায়। আমাদের প্ল্যান সাকসেসফুল হতে শুরু করল। সুবেনের পড়াশুনার এবার বারোটা বেজেই গেল। ও কলেজের অনার্সে ব্যাক পেল। লজ্জায়, দুঃখে ও লীনাকে বলল একটা কাজ দেখতে। এভাবে পিছুতে-পিছুতে সুরেন শেষ পর্যন্ত আর পেরেই উঠল না। বাধ্য হয়ে ও কলেজ ছেড়ে দিল, কিন্তু লীনার সাথে প্রায়ই দেখা করত।

আমার ভয় হতে লাগল, যদি লীনা সত্যিই ওর প্রেমে পড়ে যায়! একদিন সুবেন, আমার আর লীনার বহুবছরের প্রেমের খবরটা জানতে পারল। আমাদের বিয়ের খবরটা শুনে ও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে গেল, কিন্তু ভাগ্যক্রমে সে যাত্রায় বেঁচে যায়। 'ছেলে আত্মহত্যা করেছে', এই অসম্পূর্ণ খবরে তার বাবা হার্ট-এটাকে মারা যায়।

সুবেনকে ডাক্তাররা বাঁচিয়ে তুললেও সে পুরাতন স্মৃতিতে নিজেকে জর্জরিত করে মাথার রোগে আক্রান্ত হয়ে চেতনাহীন, ভাবনাহীন মনুষ্যজাতির অতি আপনজন হয়ে উঠে।

আজ বাইশ বছর পর সুবেনকে এই অবস্থায় দেখে আমার পুরানো সেই স্মৃতি আবার উজ্জীবিত হয়ে উঠে। সব কিছু ভেবে আমি কাঁদতে লাগলাম। কিন্তু কী লাভ? সুবেনের এত বড়ো ক্ষতি আমি করেছি, আমি ভাবতেই পারছি না। শত হোক ও যে আমার বন্ধু, আমার বাল্যসখা, আমার ক্লাসফ্রেন্ড। আমি দৌড়ে সুবেনকে আমার বুকে জড়িয়ে ধরলাম। ও তখনো মেঘে ঢাকা চাঁদের দিকে এক ভাবেই চেয়ে আছে। বলছে, "হে চাঁদ, তুমি বেশী সুন্দর, না তোমাকে যে দুরন্ত চাহনিতে দেখে সে বেশী সুন্দর?"

এই কথার উত্তর আমি কখনোই পাই নি, কিন্তু সুবেন পেয়েছে। ও আমাকে চিনতে পেরেছে কি পারেনি, জানি না। কিন্তু ওর চোখে আমি অশ্রু লক্ষ্য করলাম। আমার জন্য সুবেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত বিসর্জন দিয়েছে। আমার জীবন সাগরে সে তার জায়গা, প্রেম, সম্মান, পরিবার সব বিসর্জন করেছে। আমি কাঁদতে-কাঁদতে ওকে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখলাম।

■ ঋণ শোধ
লেখিকা- চারুলতা রায়চৌধুরী, শীতলাতলা রোড, নোনা চন্দনপুকুর, বারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগণা , কোলকাতা
# প্রকাশিত হল 13 th june, 2021 ঋণ শোধ

■ রুমকির বাড়ি
লেখিকা- কাজী তৃনা লায়লা,
বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নিউমার্কেট, ঢাকা
# প্রকাশিত হল 16 th june, 2021 রুমকির বাড়ি

■ বিভেদের দেয়াল
- মুতাছিম নয়ন, পিতা - জিএম আছাফুর রহমান, চাঁদখালী, পাইকগাছা, খুলনা, বাংলাদেশ
# প্রকাশিত হল 20 th june, 2021 বিভেদের দেয়াল

■ এখানেই শেষ নয়
- জেবুন্নেছা জেবু, পিতা - এম এ মাজেদ, সতীশ বাবু লেইন, কোতোয়ালী থানা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
# প্রকাশিত হল 23 th june, 2021 এখানেই শেষ নয়

■ রাজকুমারী
- সংঘমিত্রা রায়, Masjid Road, Karimganj, Assam
# প্রকাশিত হল 27 th june, 2021 রাজকুমারী

■ গরল
- সন্দীপা সরকার মুখাজী, তালপুকুর, শ্রীরামপুর, হুগলী
# প্রকাশিত হল 30 th june, 2021 গরল

■ কার্ভস্
- দিগন্ত পাল, দানেশ শেখ লেন, হাওড়া , পশ্চিমবঙ্গ
# প্রকাশিত হল 04 th july, 2021 কার্ভস

■ অচলা ফার্মেসী
লেখক: মেহের জান্নাত, বাবা- মো. আলতাফুর রহমান তাপাদার, সৈয়দপুর, সিলেট সদর, সিলেট
# প্রকাশিত হল 07 th july, 2021 অচলা ফার্মেসী

■ রংতা দেবীর জোগাড়
- রাজকুমার মাহাতো, মহেশতলা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা
# প্রকাশিত হল 11 th july, 2021 রংতা দেবীর জোগাড়

■ বৃত্তের কেন্দ্রে
- শ্রীপর্ণা দে, দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রিট, কলকাতা
# প্রকাশিত হল 14 th july, 2021 বৃত্তের কেন্দ্রে

■ দু নৌকায় পা
- সমরেশ মুখার্জী, মনিপাল, কর্ণাটক
# প্রকাশিত হল 18 th july, 2021 দু নৌকায় পা

■ আশা থাকলেও আলো পাওয়া যায় না
- Anusree Maity, Haripur, Dist- Purbamedinipur
# প্রকাশিত হল 21 th july, 2021 আশা থাকলেও আলো পাওয়া যায় না

■ অসময়ের ইতিবৃত্ত
- শান্তনু চ্যাটার্জী, ন্যাশানাল পার্ক, নৈহাট, উত্তর ২৪ পরগনা
# প্রকাশিত হল 25 th july, 2021 অসময়ের ইতিবৃত্ত

■ অপরাধী
- জয়িতা সিং মুন্ডা, থানা - বান্দোয়ান, জেলা- পুরুলিয়া
# প্রকাশিত হল 28 th july, 2021 অপরাধী

■ বন্ধুত্ব
- শুভজিৎ ঘরামী, মন্দির বাজার, দক্ষিন ২৪ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ
# প্রকাশিত হল 1st August, 2021 বন্ধুত্ব

■ নূপুর
- Susmita shil, Kuthipara, Gobardanga. North 24 parganas, West Bengal
# প্রকাশিত হল নূপুর

■ জীবন রং বদলায়
- অর্পিতা ভান্ডারী, ডায়মন্ড হারবার , দক্ষিণ 24 পরগনা‌ , পশ্চিমবঙ্গ
# প্রকাশিত হল জীবন রং বদলায়

■ আবৃত সত্য
- শাহরিয়ার ভুবন, ফেনী।, চট্টগ্রাম।, বাংলাদেশ
# প্রকাশিত হল আবৃত সত্য

■ শশাঙ্কের শীলমোহর
- Dr. Ipsita Bhattacharjee, Sahid Nagar, Dhakuria, Kolkata
# প্রকাশিত হল শশাঙ্কের শীলমোহর

■ মৃত্যুর উপাখ্যান
- সজীব পাল, বাঁশ পুকুর, সোনামুড়া ,সিপাইজলা, ত্রিপুরা
# প্রকাশিত হল মৃত্যুর উপাখ্যান

■ বোধিবৃক্ষ
- দীপ্তেশ মাজী, চেতলা রোড, কলকাতা
# প্রকাশিত হল বোধিবৃক্ষ

■ দত্তক কন্যা
- ডাঃ অনামিকা সরকার, কাদারাট নস্করপাড়া, নরেন্দ্রপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা
প্রকাশিত হবে 29 th August, 2021

■ গুরু-মারা বিদ্যা
- মুকুট রায়, Apcar Gardens ( South of Indian Bank), Asansol, West Bengal
প্রকাশিত হবে 1 st Sept, 2021

সেই পাগলীটি
- নন্দীতা সেন পাল, টাউন বড়দোয়ালী, আগরতলা, ত্রিপুরা
প্রকাশিত হবে 08 th Sept, 2021

আমাদের ঠিকানা:
ধলেশ্বর - ১৩
আগরতলা, ত্রিপুরা ( পশ্চিম ), ভারত
৭৯৯০০৭

এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য:
আমাদের উদ্দেশ্য বিশ্বময় লেখক ও পাঠকদের একটি সাহিত্যের মঞ্চ প্রদান করা। দুর-দূরান্তে অনেক ভাল লেখক / লেখিকা আছেন, যারা খুব ভাল গল্প লিখছেন, কিন্তু কোথাও প্রকাশ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। তেমনি দুর-দূরান্তে অনেক মনোযোগী পাঠক আছেন যারা নতুন লেখা পড়তে খুব ভালবাসেন কিন্তু পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। RiyaButu.com তাদের সকলের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সকলকে এক মঞ্চে নিয়ে আসতে চাইছে। বিশ্বময় মূল্যবান পাঠক / পাঠিকাদের কাছে বিশ্বময় লেখক / লেখিকাদের গল্প পৌঁছে যাক, এই আমাদের লক্ষ্য। পাশে আছি, পাসে পাব এই আশা রাখি।


নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার
স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা, ২০২০ এর ফলাফল


আমাদের এই প্রতিযোগিতায় আমারা এমন ভাবে এত লেখক, লেখিকা ও পাঠক-পাঠিকাদের সাড়া পাব ভাবি নি। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও বাংলাদেশ এবং সুদূর ইউরোপ থেকেও প্রচুর লেখক ও লেখিকা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। অংশগ্রহণকারী সবাইকে RiyaButu.com থেকে জানাই অনেক-অনেক শুভেচ্ছা। এই বছর ( ২০২০ ইং ) এই প্রতিযোগিতার বিজয়ী হয়েছেন,
লেখক যোবায়ের ঋদ্ধি, সেহড়া ধোপাখলা, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

story-competition-2020
উনার লেখা গল্পটি র নাম 'ক্ষমা করো'
গল্পটি পড়তে পাশের লিংকটিতে ক্লিক করুন ক্ষমা করো

◕ বাকী আরো যাদের গল্প খুব ভাল হয়েছে তাদের গল্পও আমরা RiyaButu.com এ প্রকাশ করলাম। নীচে সেই তালিকাটি দেওয়া হল। গল্পের লিংকগুলিও নির্দিষ্ট গল্পের পাশেই আছে।

■ কামিনী কথা
লেখক- রাজকুমার মাহাতো, মহেশতলা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা
প্রকাশিত হল ১০ জুলাই, ২০২০
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন কামিনী কথা


■ বিপ্রকর্ষ
লেখিকা - মিঠু রায়, কোটাল হাঁট, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ
প্রকাশিত হল ১8 জুলাই, ২০২০
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন বিপ্রকর্ষ


■ হঠাৎ পাওয়া
লেখক - মামুন রশিদ, নরসিংহপুর সাগরপাড়া মুর্শিদাবাদ
প্রকাশিত হল ১৭ জুলাই, ২০২০
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন হঠাৎ পাওয়া


■ নৌকা
লেখক - সৌরভ দাস, কাকরাবন, উদয়পুর, ত্রিপুরা
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন নৌকা


■ কচুপাতা
লেখিকা - সুস্মিতা শীল, উত্তর ২৪ পরগনা
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন কচুপাতা


■ ওখানেই ঝরেছিল মানুষের ঘাম
লেখক - সুপ্রিয় ঘোষাল, যোধপুর পার্ক , গড়িয়াহাট, কলকাতা
প্রকাশিত হল ২৮ জুলাই, ২০২০
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ওখানেই ঝরেছিল মানুষের ঘাম


■ মরণখাদ
লেখক - শান্তনু চ্যাটার্জী, নৈহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা,
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন মরণখাদ


■ ফিরে আসা
লেখক - ভাস্কর পাল, ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগনা
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ফিরে আসা


■ পুনরাবৃত্তি
রিফাহ রাফিয়া বারী,, জামালপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন পুনরাবৃত্তি


■ পয়েটিক জাস্টিস
লেখিকা - কাশফিয়া নাহিয়ান, ধানমণ্ডি,ঢাকা বাংলাদেশ
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন পয়েটিক জাস্টিস


■ নীল খামে কাব্য
লেখিকা - এনা সাহা, নোনা চন্দনপুকুর,ব্যারাকপুর, কলিকাতা।
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন নীল খামে কাব্য


■ অনিচ্ছার নির্বাসন
সঞ্জীব পাল, সোনামুড়া , ত্রিপুরা
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন অনিচ্ছার নির্বাসন


■ দেখিলাম ফিরে
লেখিকা - দীপশিখা দত্ত, ব্যারাকপুর, জিলা চব্বিশ পরগনা (উত্তর), কলিকাতা
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন দেখিলাম ফিরে


■ ক্ষনীকস্মৃতি
লেখিকা - অনুশ্রী মাইতি, Haripur, Medinipur, West Bengal
প্রকাশিত হল
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ক্ষনীকস্মৃতি

এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে RiyaButu.com এর উদ্যোগে।
আমাদের ঠিকানা:
ধলেশ্বর, রোড নং -১৩
আগরতলা, ত্রিপুরা ( পশ্চিম ), ভারত
৭৯৯০০৭
মো. নম্বর: +৯১ ৮৯৭৪৮৭০৮৪৫
Whatsapp: ৭০০৫২৪৬১২৬
E-mail ID:
riyabutu.com@gmail.com
riyabutu5@gmail.com
এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে যেকোনো প্রশ্ন কিংবা মতামত থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের এখুনি ফোন করুন।


নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার
স্বরচিত গল্প প্রতিযোগিতা ২০১৯ এর ফলাফল


RiyaButu.com আয়োজিত 'স্বরচিত গল্প প্রতিযোগিতা-২০১৯' এর বিজয়ী ছিলেন,
story-competition-2019    Big Photo
সুপ্রিয় ঘোষাল, যোধপুর পার্ক, গড়িয়াহাট দক্ষিণ, কলকাতা – ৬৮

উনার লেখা গল্পটির নাম আশ্রয়
গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন আশ্রয়


নগেন্দ্র সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ এর নিয়মাবলী

প্রতিবছরই 'মে' মাসে RiyaButu.com এর পক্ষ থেকে এই 'স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা' অনুষ্ঠিত হয়। যেকোনও লেখক / লেখিকা তাদের স্বরচিত গল্প এই প্রতিযোগিতায় পাঠাতে পারেন।
নিয়মাবলী নীচে দেওয়া হল:

১. এই প্রতিযোগিতা সবার জন্য উন্মুক্ত; যেকেউ আমাদের কাছে গল্প পাঠাতে পারেন।

২. ভাষা: বাংলা

৩. এই বছর ( ২০২১ ইং ) এই প্রতিযোগিতা ১ লা 'মে' থেকে ৩১ শে 'মে' ( 1st May 2021 to 31 st May 2021 ) পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশিত হবে ৭ ই জুন, ২০২১
লেখক / লেখিকারা এই Webpage ই ফলাফল দেখতে পারবেন।

৪. এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীকে পুরস্কার স্বরূপ দেওয়া হবে নগদ ৫০০০/ - ( পাঁচ হাজার টাকা)। এই টাকা শুধুই Net-Banking এর মাধ্যমেই বিজয়ীর কাছে ১৬ই জুন, ২০২১ - র মধ্যে পাঠানো হবে। প্রসঙ্গত: এই প্রতিযোগিতায় শুধু একটিই পুরস্কার থাকবে।

৫. গল্পটি অবশ্যই স্বরচিত হতে হবে। শুধু PDF / MS Word form এ E-mail এর মাধ্যমে আমাদের কাছে গল্প পাঠাতে হবে। কোনও রূপ Hardcopy কিংবা Whatsapp এ নয়।
আমাদের E-mail ID:
riyabutu.com@gmail.com
riyabutu5@gmail.com

৬. গল্পের সাথে লেখকের নাম, বাবার নাম, ঠিকানা এবং ফোন নম্বর অবশ্যই পাঠাতে হবে। অন্যের লেখা নিজের নামে পাঠানোর দায় একমাত্র E-mail প্রেরকের উপর থাকবে। RiyaButu.com এ ব্যাপারে কোনও ভাবেই দায়ী থাকবে না। প্রতিটি গল্প পাঠাবার সময় গল্পের নীচে লেখক / লেখিকাকে অবশ্যই লিখে দিতে হবে যে,
"এই গল্পটি আমার স্বরচিত গল্প। গল্পটি এর আগে আর কোথাও প্রকাশিত হয়নি।"

৭. গল্প ৫০০০ ( পাঁচ হাজার) শব্দের মধ্যে হতে হবে। এক ব্যক্তি ২টি গল্পের বেশী পাঠাতে পারবেন না।

৮. বিজয়ী গল্পটি লেখকের নাম ধাম সহ ৭ ই জুন, ২০২১ RiyaButu.com এ প্রকাশিত হবে। তাছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী আরও ১৫টি নির্বাচিত গল্প লেখকের নাম ধাম সহ RiyaButu.com এ প্রকাশিত হবে।

৯. গল্প প্রকাশিত হবার পর RiyaButu.com থেকে গল্প Delete করার, কিংবা বাদ দেওয়ার অধিকার শুধু RiyaButu.com এর থাকবে।

১০. এই প্রতিযোগিতার যেকোনও বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মেনে নিতে হবে।

এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে যেকোনও প্রশ্ন থাকলে বিনা দ্বিধায় আমাদের এখুনি ফোন করুন।
নম্বর: +৯১ ৮৯৭৪৮৭০৮৪৫
Whatsapp: ৭০০৫২৪৬১২৬
E-mail ID:
riyabutu.com@gmail.com
riyabutu5@gmail.com

আমাদের ঠিকানা:
ধলেশ্বর - ১৩
আগরতলা, ত্রিপুরা ( পশ্চিম ), ভারত
৭৯৯০০৭

এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য:
আমাদের উদ্দেশ্য বিশ্বময় লেখক ও পাঠকদের একটি সাহিত্যের মঞ্চ প্রদান করা। দুর-দূরান্তে অনেক ভাল লেখক / লেখিকা আছেন, যারা খুব ভাল গল্প লিখছেন, কিন্তু কোথাও প্রকাশ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। তেমনি দুর-দূরান্তে অনেক মনোযোগী পাঠক আছেন যারা নতুন লেখা পড়তে খুব ভালবাসেন কিন্তু পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। RiyaButu.com তাদের সকলের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সকলকে এক মঞ্চে নিয়ে আসতে চাইছে। বিশ্বময় মূল্যবান পাঠক / পাঠিকাদের কাছে বিশ্বময় লেখক / লেখিকাদের গল্প পৌঁছে যাক, এই আমাদের লক্ষ্য। পাশে আছি, পাসে পাব এই আশা রাখি।

## Disclaimer: RiyaButu.com is not responsible for any wrong facts presented in the Stories / Poems / Essay or Articles by the Writers. The opinion, facts, issues etc are fully personal to the respective Writers. RiyaButu.com is not responsibe for that. We are strongly against copyright violation. Also we do not support any kind of superstition / child marriage / violence / animal torture or any kind of addiction like smoking, alcohol etc. ##

◕ ◕ Online Book Shop
নামঃ রাজগি ত্রিপুরা ও চাকলা রোশনাবাদ
লেখক - পান্নালাল রায়

Books on Tripura

ভারতে মোগল শক্তির অভ্যুদয়ের পর মোগলরা ত্রিপুরার সমতল এলাকা জয় করে তার নাম রেখেছিল রোশনাবাদ। ধীরে-ধীরে ত্রিপুরার স্বাধীন রাজা চাকলা রোশনাবাদের জন্য মোগলদের অধীনস্থ এক করদাতা জমিদারে পর্যবসিত হয়। মোগলদের পর ইংরেজ আমলেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। কি করে বিভিন্ন রাজার আমলে বহিঃশক্তি স্বাধীন ত্রিপুরাকে ধীরে-ধীরে গ্রাস করে নেয় তা-ই এই অমূল্য বইতে উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছেন লেখক। Details..
List of all books ■ ■

RiyaButu.com কর্তৃক বিভিন্ন Online প্রতিযোগিতাঃ
■ স্বরচিত গল্প লেখার প্রতিযোগিতা - মে, ২০২১ ফলাফল Details..
■ স্বরচিত ছোট গল্প প্রতিযোগিতা ( ৬০০ শব্দের ), নভেম্বর- ২০২১ Details..
■ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা - সেপ্টেম্বর, ২০২১ Details..
■ Hindi Story writing competition... Details..
■ RiyaButu.com হল লেখক / লেখিকাদের গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ প্রকাশ করার একটি মঞ্চ। ঘরে বসেই নির্দ্বিধায় আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন সারা-বছর ... Details..


◕ RiyaButu.com, এই Website টি সম্পর্কে আপনার কোনও মতামত কিংবা পরামর্শ থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। যোগাযোগ:
E-mail: riyabutu.com@gmail.com / riyabutu5@gmail.com
Phone No: +91 8974870845
Whatsapp No: +91 7005246126