Home   |   About   |   Terms   |   Contact    
A platform for writers
 

ত্রিপুরার ইতিহাস
( পর্ব ৬)

Tripura History

◎ All Articles On Tripura     ◎ All Other Articles



This article is regarding the History of Tripura.
Last updated on: .



ত্রিপুরার প্রাচীন সীমানা, আরাকান কোথায় অবস্থিত?
ত্রিপুরার ইতিহাস
( পর্ব ৬)



◕ Send a story and get ₹ 200/- Details..

◕ Bengali Story writing competition. Details..
Result of the competition. Details..


প্রাচীন ভারতের কামরূপ ও রাক্ষিয়াং দেশের মধ্যবর্তী স্থানের নাম ছিল কিরাত দেশ। রাক্ষিয়াং কথার অর্থ রাক্ষসদের নিবাস ভুমি। রাক্ষিয়াংকে কেউ-কেউ রসাঙ্গও বলতেন। ইংরেজ বনিকরা এর নাম দিয়েছিলেন আরাকান। পরবর্তি কালে এই কিরাত দেশই ত্রিপুরা নামে পরিচিতি লাভ করে। সেই কিরাত ভুমির পরিমান ছিল প্রায় ৭৫,০০০ বর্গ মাইল। ঐ সময় মনিপুর, কাছাড়, শ্রীহট্ট, চট্টগ্রাম এই কিরাত দেশের অর্ন্তভুক্ত ছিল।

১৪০৭ খ্রীষ্টাব্দে ত্রিপুরার মহারাজ ধর্মমাণিক্যের সভাসদ শুক্রেশ্বর ও বাণেশ্বর যে রাজমালা রচনা করেছেন এবং তাতে যে সীমানা নির্দেশ করেছেন তা হলঃ
উত্তরে তৈরঙ্গ নদী,
দক্ষিণে রসাঙ্গ অর্থাৎ আরাকান,
পূর্বে মনিপুর,
পশ্চিমে বঙ্গদেশ।
এই বর্ননা অনুসারে ঐ সময়কার যে সব অঞ্চল ত্রিপুরার অর্ন্তগত ছিল তা হলঃ
সমগ্র কুকি প্রদেশ, মণিপুরের পশ্চিম-দক্ষিণ দিকের পার্বত্য ভুমি, মধ্য ও দক্ষিণ কাছাড়, শ্রীহট্টের দক্ষিণাংশ, ময়মনসিংহের দক্ষিণ পূর্বাংশ, সমগ্র নোয়াখালি, সমগ্র চট্টগ্রাম ও ঢাকার পূর্বাংশ।



১৮৯৬ সালে ত্রিপুরার প্রখ্যাত ঐতিহাসিক কৈলাসচন্দ্র সিংহ যে রাজমালা রচনা করেছেন তাতে তিনি লিখেছেন, ২৪৯১ বর্গ মাইল বিস্তৃত একটি জেলা ও ৪০৮৬ বর্গ মাইল বিস্তৃত একটি পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য গঠিত। তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের যে সীমানা নির্দেশ করেছেন তার মধ্যে অন্তভুক্ত আছেঃ
উত্তরে শ্রীহট্ট,
দক্ষিণে চট্টগ্রাম,
পূর্বে কুকি প্রদেশ,
পশ্চিমে নোয়াখালি।

ঐ সময়ে ত্রিপুরা রাজ্যের
অক্ষাংশ ছিল ২২° ৫৯' উত্তর থেকে ২৪° ৩১' উত্তর
দ্রাগিমাংশ ছিল ৯১° ১২' পূর্ব থেকে ৯২° ২৪' পূর্ব।

Next Part
ত্রিপুরার ইতিহাস সম্পর্কে জানুন প্রতি সোমবার ও শুক্রবার।

◕ Send a story and get ₹ 200/- Details..

◕ Bengali Story writing competition. Details..


আগের পর্বগুলিঃ
পর্ব ১     পর্ব ২     পর্ব ৩     পর্ব ৪     পর্ব ৫    

◕ This page has been viewed 115 times.

Top of the page