Home   |   About   |   Terms   |   Library   |   Contact    
A platform for writers

খোলা হাওয়ায়

Bengali Story

All Bengali Stories    87    88    89    90    91    92    93    94    95    96    (97)     98   

-------- বিজ্ঞপ্তি ----------
■ 'স্বরচিত কবিতা প্রতিযোগিতা, ফেব্রুয়ারি - ২০২৩' Details
--------------------------



খোলা হাওয়ায়

লেখিকা - কাশফিয়া নাহিয়ান, মনেশ্বর রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা, বাংলাদেশ


খোলা হাওয়ায়

লেখিকা - কাশফিয়া নাহিয়ান, মনেশ্বর রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা, বাংলাদেশ

"আজ কি নাশতা পাবো? নাকি না খেয়েই অফিস যেতে হবে!" রেগে কথাগুলো বলল ইরেশ।

"এই তো হয়ে গেছে," এক হাতে রুটির প্লেট আর-এক হাতে চা নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসলো রাইসা। চায়ের কাপে চুমুক দিতেই ওয়াক থু..করে পুরো চায়ের কাপটা ছুড়ে ফেলে দিলো ইরেশ। "একটা চা-ও ঠিকমত বানাতে পারো না..না আছে দুধ, না আছে চিনি..সকাল-সকাল মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেলো!" রেগে অফিসের দিকে রওয়ানা দেয় ইরেশ। আর রাইসা কাঁদতে-কাঁদতে ভাঙ্গা চায়ের কাপটা মেঝে থেকে তুলতে থাকে।

ইরেশ আর রাইসার বিয়ের একবছরও হয়নি, অথচ ইরেশ তাকে সহ্যই করতে পারে না। স্ত্রী হিসেবে যে সম্মান আর ভালোবাসা তার পাওয়ার কথা ছিল কোনোটাই সে পায়নি। সে দেখতে তেমন সুন্দরী না হলেও মোটামুটি রকমের ভালো। পড়াশুনাটাও খুব একটা করেনি, কলেজ পর্যন্তই পড়েছে। সে সবসময় চেষ্টা করে ইরেশের মন মত সব কিছু করার, কিন্তু কেন যেন কিছুই হয়ে ওঠে না। ইরেশ তাকে উঠতে-বসতে অপমান করে। সব সময় তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। সবকিছু মুখ বুজে মেনে নেয় রাইসা। হয়ত এটিই তার নিয়তি!

ইরেশ "খোলা হাওয়ায়"নামক এক পত্রিকার সম্পাদক। গত কয়েকমাস ধরে পত্রিকাটি পাঠকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিশেষ করে তরুণ পাঠকদের কাছে। তাই অহঙ্কারে মাটিতে পা পড়ে না ইরেশের।

"কি ব্যাপার এহসান সাহেব? কি নতুন আইডিয়া ভাবলেন, আমাদের পত্রিকাকে যেন আরও জনপ্রিয় করা যায়!"

"স্যার এখনও তেমন কিছু ভাবিনি..এখনও চিন্তা করছি.."

"কাজ-টাজ কিছু না করে আপনি চিন্তাই করতে থাকুন..যত্তসব! একটা কাজ করুন আমাদের পত্রিকার সাথে যে"সাহিত্য ও সংস্কৃতি ভাবনা" নামে একটি ম্যাগাজিন বের হয় তার নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলুন.. যখনই কোনও লেখকের লেখা ম্যাগাজিনে ছাপা হবে তা সেই পেজে বেশ শেয়ার করুন। প্রচার প্রসার যত বেশী হবে তত আমাদের জন্য ভালো হবে।"

"জী স্যার..এখনই কাজ শুরু করে দিচ্ছি.."

কোথা থেকে যে এক একটি নমুনাকে অফিসে রেখেছে ইরেশ বুঝতেই পারে না। ও ভাবে, ঘরে অপদার্থ বউ আর অফিসের এক একজনকে সব সময় সহ্য করতে হয় তার।

সে আজ এত তাড়াতাড়ি অফিস থেকে চলে এলে যে, আগ্রহ সহকারে জানতে চাইলো রাইসা। উত্তরে সে বলল, "কেন ভালো লাগছে না?আবার চলে যাবো?"

"না..না..সে কি আমি কি তা বলেছি নাকি!"

"তেমন কাজ ছিল না তাই চলে এসেছি..এতে জিজ্ঞাসা করার কি আছে?"

সবসময় এরকমই ব্যবহার করে ইরেশ, একটুকুও ভালো করে কথা বলে না রাইসার সাথে। আর রাইসা শুধু নীরবে কেঁদেই যায়।

আজ অফিসে এসে ইরেশ দেখে একটি খাম তার টেবিলের উপরে রাখা। ইরেশ খামটা খুলে দেখল তাতে লেখা আছে..
শ্রদ্ধেয় সম্পাদক সাহেব,
আপনার "খোলা হাওয়ায়" নামক পত্রিকাটি বেশ জনপ্রিয় এবং আমারও অনেক ভালো লাগে। আপনার পত্রিকার ম্যাগাজিন "সাহিত্য ও সংস্কৃতি ভাবনা"য় আমি একটি কবিতা লিখে পাঠালাম। আশা করি ভালো লাগবে।
ধন্যবাদান্তে
সানজানা সিদ্দিক

ইরেশ পুরো কবিতাটি এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললো। কবিতার নাম"প্রার্থনা"..
এখন শুধু প্রার্থনা আছে তোমায় ঘিরে
সেই প্রেমের বাঁধন অনেক আগেই গেছে ছিঁড়ে
তবু তোমায় ভালোবাসি
তোমার কথা মনে করে মাঝে মাঝেই হাসি।
ভালো লেগে গিয়েছিলো তোমায় প্রথম দেখায়
অথচ বুঝতেই পারিনি তুমি ছিলে না এই হাতের রেখায়
তুমিই একমাত্র যে আমায় প্রিয়তমা বলেছিলে
তুমিই একমাত্র যে আমার হৃদয়কে স্পর্শ করেছিলে
আমার কি-বা করার ছিল যখন তুমিই জানিয়ে দিয়েছ বিদায়
বাধ্য হয়ে সেই মর্মান্তিক প্রস্তাবে আমাকেও দিতে হয়েছে সায়
তাই হয়েছে তুমি যা চেয়েছ
অন্ততপক্ষে তুমি তো সুখের সন্ধান পেয়েছ
তোমার বৃত্তে পরিভ্রমণ করার কথা ছিল শুধু আমার
কিন্তু কেন যেন কখনও সেই অনুমতি পাইনি আমি তোমার!
তোমার ভুবনের কোনও অংশে আমি নাই
সেই প্রশ্নের উত্তর আজও খুঁজে বেড়াই
ভুলি নি তোমার সুর করা রোমান্টিক গান
তুমি আমার মাঝে আজও বিরাজমান
তোমার ভালোবাসার চিঠিগুলো আজও আমার কাছে আছে রাখা
তুমি পাশে নাই তাই মনের ভেতরটা অনেকটাই ফাঁকা
কোনও দিক দিয়ে,কোনও ভাবে ছিল না আমার কোনও অপরাধ
আমার আকাশে হাসে না ঐ মায়াবী চাঁদ
চোখের পলকে তুমি গেলে হারিয়ে
মুহূর্তের মধ্যে তুমি গেলে সীমানা ছাড়িয়ে
শুধু এতটুকুই চেয়েছি যখন কেউ খুঁজবে আমায় যেন খোঁজে তোমার চোখে
হতবিহব্বল হয়ে পড়েছি তোমাকে না পাওয়ার শোকে
নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণ করেছি তোমার হাতে
তুমি সবসময় রয়েছ আমার মোনাজাতে
জীবন এখন আমার মরুভূমি
অবশিষ্ট রয়ে গেলো অর্থহীন অসমাপ্ত আমি
এখন শুধু সান্ত্বনা আছে তোমায় ঘিরে
আশায় আশায় বুক বাঁধি হয়তো বা তুমি ফিরবে এই ছোট্ট নীড়ে
এখন শুধু প্রার্থনা আছে তোমায় ঘিরে
এখন শুধু প্রার্থনা আছে তোমায় ঘিরে।


"বাহঃ !বেশ ভালো লিখে তো এই সানজানা সিদ্দিক।" ইরেশ ঠিক করলো কবিতাটি খুব তাড়াতাড়ি তার পত্রিকার সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনে প্রকাশ করবে। এরকম গুণী হাতের কবিতা তো আজকাল পাওয়াই যায় না। কবিতাটি প্রকাশের সাথে-সাথে তা পাঠকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হল। এরপর থেকে সানজানা সিদ্দিকের কয়েকটি গল্প, কবিতা প্রকাশ হল এবং তা সবার মাঝে বেশ আলোড়ন তুলল। ইরেশ তো খুবই খুশী। তার পত্রিকা এখন সবার শীর্ষে। সবই এই সানজানা সিদ্দিকের কারণে। কিন্তু বেশ কিছুদিন হল সানজানা সিদ্দিকের কাছ থেকে কোনও গল্প, কবিতা আর আসছে না। চিন্তায় পড়ে গেলো ইরেশ। কি করবে সে? কিভাবে সানজানা সিদ্দিককে খুঁজে বের করবে? তার সমস্ত লেখা তন্নতন্ন করে খুঁজে এক জায়গায় একটি মোবাইল নাম্বার পেলো ইরেশ। কল দিতেই ওপাশ থেকে শোনা গেলো মিষ্টি আওয়াজ...

"হ্যালো..এটা কি সানজানা সিদ্দিকের নাম্বার?"

"জী বলছি.."

"আমি "খোলা হাওয়ায়"পত্রিকার সম্পাদক ইরেশ বলছি.."

"জী..বলুন.."

"আপনি অনেক দিন ধরে কোনও লেখা পাঠাচ্ছেন না..আপনার লেখাগুলো কিন্তু ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। পাঠকরা আপনার লেখা বার-বার পড়তে চায়।"

"ধন্যবাদ..আসলে কি হয়েছে কিছুদিন ধরে লেখার কোনও অনুপ্রেরণা পাচ্ছি না। মনের ভাবনাগুলো কলমের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলবো..তারপর তো কোনও লেখা আসবে। আমি চেষ্টা করছি..দেখি কতটুকু পারি.."

"না..না..কোনও অসুবিধা নেই। আপনি যত ইচ্ছা সময় নিন। তবে আমরাও অপেক্ষায় থাকবো।"

"তারপর থেকে প্রায়ই ইরেশ আর সানজানার কথা হয়। তাদের বন্ধুত্ব দিন-দিন বাড়তে থাকে। ইরেশ মনে-মনে সানজানাকে পছন্দ করতে শুরু করেছে। তার কথা বলার ধরন এবং তার শৈল্পিক লেখনী মুগ্ধ করে তাকে। সবসময় সানজানার নেশায় বিভোর থাকে সে।

"এই নাও.." একটি প্যাকেট ইরেশ এর হাতে দিয়ে বলে রাইসা।

"কি এটা?"

"তোমার জন্য শার্ট। আমি নিজে পছন্দ করে কিনেছি," উৎসাহের সাথে বলে রাইসা।

"রেখে দাও..পরে পরবো.."

"আমাকে কেমন লাগছে.." আগ্রহের সাথে জানতে চায় রাইসা।

ইরেশ দেখল অনেক সেজেছে আজ রাইসা। লাল শাড়ি,হাত ভর্তি লাল চুড়ি,খোপায় বেলি ফুল..

"কি জন্য এত সাজ?"

"ওমা..তুমি ভুলে গেলে..আজ আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী।"

"ও..তোমার জন্য এই দিনটি সুখের! তুমি সেলিব্রেট করো..আমাকে বলো না সেলিব্রেট করতে.."

"কেন কি হয়েছে?"

"এই দিনেই তো তোমার মত একটা আন-স্মার্ট আন-কালচারড অর্ধ-শিক্ষিত মেয়েকে আমার বিয়ে করতে হয়েছে। কি দেখে যে তোমার মত মেয়েকে পছন্দ করেছিলো আমার বাবা!আজও বুঝতে পারি না..না আছে সৌন্দর্য না আছে শিক্ষা.."

কাঁদতে-কাঁদতে রুম থেকে বের হয়ে গেলো রাইসা। খোপার বেলি ফুলটা ছিঁড়ে ফেললো সে..চুড়িগুলোও খুলে ফেললো। আয়নায় নিজেকে দেখে ভাবল, সে কি সত্যিই ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য নয়! সে কি এতটাই বীভৎস? কত নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে সে! এই হয়তো ইরেশ তাকে ভালবাসবে। তার সাথে ভালো করে কথা বলবে! তার হাত ধরে বলবে, তুমি ভালো আছ তো!এতটুকু চাওয়া কি অন্যায়? কিন্তু সেই মুহূর্ত আর আসে না...

এদিকে ইরেশ সানজানার সাথে কথা বলার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে। তার সাথে কথা না বললে ইরেশের চলেই না। কেন যেন সানজানা তাকে দুপুর তিনটায়ই কল দেয়! অন্য কোনও সময় তাকে ফোনে পাওয়া যায় না। কেমন যেন এক রহস্য আছে এই সানজানার মধ্যে! তবে এই রহস্যই ইরেশকে আরও পাগল করে দেয়।

"আচ্ছা..তোমার সাথে আমার কবে দেখা হবে?"

"দেখা করাটা কি খুব জরুরী! আমি না হয় থাকি তোমার অজানা ভুবনের অপরিচিতা হয়ে!" ফোনের ওপাশ থেকে অভিমান করে বলে সানজানা।

"না..একদম না..তুমি অপরিচিতা কেন থাকবে? আমি তোমার সাথে পরিচিত হতে চাই। আমি তোমার আলোয় আলোকিত হতে চাই।"

"আমাকে যদি তোমার পছন্দ না হয়!"

"কেন হবে না? আমি তোমাকে আমার মনের চোখ দিয়ে দেখেছি। তুমি অনেক সুন্দরী। এবার কিন্তু তোমাকে আসতেই হবে।"

"কেন.."

"অনলাইন জরিপে তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ লেখিকা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছ। আমরা সবাই তোমাকে পুরস্কৃত করবো। সম্মান জানাবো। তুমি আসবে তো?"

অনেকক্ষণ কথা বলল না সানজানা..তারপর বলল, "ঠিক আছে..আমি আসবো।"

ইরেশের খুশীর সীমা নেই। আজ সানজানার সাথে তার দেখা হবে। মন ভরে দেখবে তাকে। যার কণ্ঠস্বর এত মিষ্টি, সে না জানি কত সুন্দরী হবে। উফ্! আর তর সইছে না তার। ইরেশ আজ নতুন শার্ট পরেছে। ওই যে শার্টটা রাইসা তাকে দিয়েছিলো তাদের বিবাহ বার্ষিকীর উপহার হিসেবে। এখনও সানজানা আসছে না কেন? সবাই তার জন্য অপেক্ষা করছে। আর ইরেশ তো ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে তার জন্য অপেক্ষা করছে..হঠাৎ এক মহিলা এসে উপস্থিত হলো। চোখে সানগ্লাস,হাতে পার্স আর সারা মুখ ওড়না দিয়ে ঢাকা। এই হচ্ছে সানজানা সিদ্দিক! সে সবাইকে হাই হ্যালো করলো..ইরেশ ফুলের তোড়াটি তার হাতে তুলে দিলো। কিন্তু সে তো সানজানাকে দেখতে চায়। এখন কিভাবে দেখবে তাকে? অস্থির হয়ে ওঠে ইরেশ। সানগ্লাসটি খুলে মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দেয় সানজানা..এ কি!এ তো তার স্ত্রী রাইসা...এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় ইরেশ। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। যাকে এতদিন উঠতে-বসতে অপমান করেছে, যাকে প্রতিনিয়ত অবজ্ঞার বাণে তীর-বিদ্ধ করেছে, আজ সে তার সামনে সানজানা সিদ্দিক হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

"স্যার..ম্যাম এর হাতে ক্রেস্ট আর সম্মাননা সনদটি তুলে দিন," বলল ইরেশের পত্রিকার সাব এডিটর এহসান সাহেব।

"হ্যাঁ..এই তো দিচ্ছি," নিজেকে সামলে নিয়ে বলল ইরেশ।

ইরেশ রাইসার হাতে পুরষ্কার তুলে দিলো। কষ্টের হাসি হেসে পুরষ্কারটি গ্রহণ করলো রাইসা। এসময় তারা দুজনেই-দুজনের দিকে তাকালো। রাইসার চোখে প্রশ্নের সমুদ্র আর ইরেশের চোখে ছিল অনুশোচনা। রাইসা মানে সানজানা ইরেশের দিকে ভালো করে লক্ষ্য করলো। দেখল সে তার উপহার দেওয়া শার্টটি পরে আছে। কিন্তু রাইসার জন্য নয় সানজানার জন্য। অজান্তেই চোখের কোণ ভিজে গেলো তার। ইরেশ তা বুঝতে পেরে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো। রাইসা চলে যাচ্ছে...ইরেশ তার সাথে কথা বলতে চায়। একবার তার কাছে ক্ষমা চাইবে সে। কিন্তু কি অধিকারে? কোন মুখ নিয়ে তার সামনে দাঁড়াবে সে? কি করে তার পথ রোধ করবে? আর রাইসা নতুন এক পথের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে ফিরে তাকাবে না সে। এক সুন্দর আগামী তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে তার। এতদিন সে শুধুমাত্র বেঁচে ছিল বদ্ধ ঘরের বদ্ধ হাওয়ায়। আজ সে প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নিচ্ছে খোলা হাওয়ায়।
( সমাপ্ত)


Next Bengali Story

All Bengali Stories    87    88    89    90    91    92    93    94    95    96    (97)     98   


## Disclaimer: RiyaButu.com is not responsible for any wrong facts presented in the Stories / Poems / Essay / Articles / Audios by the Writers. The opinion, facts, issues etc are fully personal to the respective Writers. RiyaButu.com is not responsibe for that. We are strongly against copyright violation. Also we do not support any kind of superstition / child marriage / violence / animal torture or any kind of addiction like smoking, alcohol etc. ##


◕ RiyaButu.com, এই Website টি সম্পর্কে আপনার কোনও মতামত কিংবা পরামর্শ, কিংবা প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। যোগাযোগ:
E-mail: riyabutu.com@gmail.com / riyabutu5@gmail.com
Phone No: +91 8974870845
Whatsapp No: +91 6009890717